ব্রাদার্সের চেক বাউন্স!

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২০, ২২:৩৫

করোনার ধাক্কায় এক রাউন্ড পরই স্থগিত হয়ে গেছে বঙ্গবন্ধু ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ। উন্মুক্ত পদ্ধতিতে দলবদলের পরও লিগ শুরুর আগে আটটি ক্লাব ক্রিকেটারদের কিছু পারিশ্রমিক দিয়েছিল। কোনো পারিশ্রমিক দেয়নি চার ক্লাব শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব, শাইনপুকুর, ওল্ডডিওএইচএস ও ব্রাদার্স ইউনিয়ন। ঈদুল ফিতরের আগে ব্রাদার্স ছাড়া তিনটি ক্লাবই পারিশ্রমিক দিয়েছিল ক্রিকেটারদের।

গত ৮ জুলাই কোয়াবের (ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) সঙ্গে বৈঠকে  ক্লাবগুলোর প্রতি সিসিডিএম (ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস) চেয়ারম্যান কাজী ইনাম আহমেদ আহ্বান জানিয়েছিলেন, ক্রিকেটারদের যেন ৫০ শতাংশ পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। কিন্তু সিসিডিএম চেয়ারম্যানের কথা পাত্তাই দেয়নি ক্লাবগুলো। বিশেষ করে ব্রাদার্সের ক্রিকেটাররা দুর্গতির মুখে পড়লেন। ঈদুল ফিতর গেছে, ঈদুল আজহায়ও কোনো কানাকড়ি পাচ্ছেন না তারা। এমনকি ক্রিকেটারদের দেওয়া ব্রাদার্সের চেক বাউন্স হয়েছে। ব্যাংকে চেক জমা দিয়ে টাকা পাননি ক্রিকেটাররা।

কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল গতকাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ব্রাদার্সে তুষার ইমরানসহ অনেকের চেক বাউন্স করেছে। সিসিডিএম আলোচনার টেবিলে যতটা আন্তরিক, কাজে ততটা নয়।

অভিযোগ স্বীকার করেছেন ব্রাদার্সের ম্যানেজার আমিন খান। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ক্লাবের স্পন্সরদের ব্যবসায় মন্দা বলেই এমনটা হয়েছে। তবে কয়েক দিন আগে ক্রিকেটারদের ৪ লাখ টাকা ভাগাভাগি করে নিতে বলেছিল ব্রাদার্স। সেটা নিতে রাজি হননি ক্রিকেটাররা।