বিদ্যুতের ঘাটতি নেই তবুও দুর্ভোগে শৈলকুপার গ্রাহকরা

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২০, ২১:০৯

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

বিদ্যুতের ঘাটতি নেই। তবু ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা শহরের ওজোপাডিকোর গ্রাহকরা ভোগান্তি পোহাচ্ছে। দিন-রাত বিদ্যুতের লুকোচুরি চলতে থাকে। আর আকাশে মেঘ করলেই বিদ্যুত্ চলে যায়। গ্রাহকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করলেও কোনো ফল হয় না। এ ব্যাপারে স্থানীয় অফিসে অভিযোগ করলে একই কথা ‘লাইন ফল্ট’। আর কখনো কখনো ঝিনাইদহ থেকে শৈলকুপা সাব স্টেশন পর্যন্ত ৩৩ কেভি সঞ্চালন লাইনে ত্রুটির জন্য হয়ে থাকে। এ সঞ্চালন লাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ কিলোমিটার। কোথায় ত্রুটি হয়েছে তা চেক করে বের করতে দুই-তিন ঘণ্টা চলে যায়। সোমবার বিকাল চারটায় সঞ্চালন লাইনে ত্রুটির জন্য বিদ্যুত্ চলে যায়। আর সন্ধ্যা ৭টায় আসে। দীর্ঘক্ষণ গ্রাহকরা ভোগান্তি পোহায়। এরপর চলতে থাকে ঘনঘন বিদ্যুত্ যাওয়া-আসা। এতে ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর ক্ষতি হয়। শৈলকুপা শহরের গ্রাহক রাশেদুল হাসান অভিযোগ করে বলেন, দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি নেই। কিন্তু শৈলকুপা শহরের গ্রাহকদের ভোগান্তির শেষ নেই। বিদ্যুত্ চলে গেলে অবস্থা জানার জন্য আবাসিক প্রকৌশলী ও সহকারী প্রকৌশলীর সরকারি নাম্বারে ফোন করলে বন্ধ পাওয়া যায়। আবার রিং হলেও ধরেন না।

ওজোপাডিকোর শৈলকুপার আবাসিক প্রকৌশলী মো. শামীম শরীফ বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য বিদ্যুত্ চলে যায়। ত্রুটি সারার পর বিদ্যুত্ চালু করতে সময় লাগে। নিম্নমানের পিন ইনসুলেটর সরবরাহ করা হয়েছে। এগুলো ফেটে গেলে লাইন চলে যায়। আবার অনেক সময় ব্রেকারের কারণেও বিদ্যুিবভ্রাট হয়ে থাকে।