আধুনিক খাদ্য মজুতাগার নির্মাণে বাড়তি ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২০, ২১:৩১

ইত্তেফাক রিপোর্ট

আধুনিক খাদ্য মজুতাগার নির্মাণে বাড়তি ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার (১ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা) ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংকের বোর্ডসভা। ‘মডার্ন ফুড স্টোরেজ ফ্যাসিলিসি প্রজেক্ট’ বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের খাদ্যশস্য মজুতের পরিমাণ ৫ লাখ ৩৫ হাজার টন বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে ৪৫ লাখ পরিবার উপকৃত হবে বলে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে। বিশ্বব্যাংক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ৩১ জুলাই সংস্থাটির বোর্ডসভায় বাড়তি ঋণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে ২০ লাখ টন খাদ্যশস্য ধারণক্ষমতার কার্যকর গুদাম রয়েছে। কিন্তু এগুলোর মধ্যে অনেক গুদাম জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে মজুত ও সরবরাহের সময় প্রচুর পরিমাণে খাদ্যশস্য নষ্ট হচ্ছে। এগুলোতে বর্তমানে ছয় মাসের বেশি গুণমান বজায় রেখে খাদ্য মজুত রাখা যায় না। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শেষ হলে মজুতকালীন সময়ে খাদ্যশস্য নষ্ট হওয়ার পরিমাণ অর্ধেকে নেমে আসবে। সেইসঙ্গে সর্বোচ্চ দুই বছর এগুলো খাদ্যমান বজায় রেখে মজুত করা যাবে।

সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং কোভিড-১৯-এর মতো অতিমারির সময়কালে এ ধরনের প্রকল্প বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করবে। প্রকল্পটির আওতায় দেশের আটটি জেলায় চাল, গম মজুতের জন্য আধুনিক সাইলো কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রকল্পটির আওতায় এরই মধ্যে ৫ লাখ দরিদ্র পরিবারকে বায়ু ও পানিনিরোধক কনটেইনার দেওয়া হয়েছে। যাতে করে দুর্যোগকালীন সময়ে তারা খাদ্য মজুত করে রাখতে পারে। প্রকল্পটির আওতায় আরো ৩ লাখ পরিবারকে এ রকম বায়ু ও পানিনিরোধক কনটেইনার দেওয়া হবে।