ইউরোপা লিগ দিয়েই আবারও মাঠে ফিরেছে ইউরোপীয় পর্যায়ের ফুটবল। ফেরার দিনটা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড আর ইন্টার মিলান রাঙিয়েছে জয় দিয়ে, শেষ আট নিশ্চিত করে। অস্ট্রিয়ান দল লাস্ককে ইউনাইটেড হারিয়েছে ২-১ ব্যবধানে, আর গেতাফের বিরুদ্ধে ইন্টার তুলে নিয়েছে ২-০ ব্যবধানের জয়।
লকডাউনের আগে প্রথম লেগে ৫-০ ব্যবধানের জয়ের পরই মূলত ইউনাইটেডের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। বুধবার রাতের ম্যাচটাকে আনুষ্ঠানিকতা বনে যাওয়া থেকে রুখতে লাস্ককে করতে হতো অতিমানবীয়, অভূতপূর্ব কিছুই।
এমন ম্যাচে গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ৫৫ মিনিটে লক্ষ্যভেদ করে সফরকারী লাস্ক। এর ঠিক দুই মিনিট পরই ম্যাচে ইউনাইটেডকে সমতায় ফেরান জেসে লিংগার্ড। ৮৮ মিনিটে অ্যান্থনি মার্শিয়ালের গোলে ২-১ জয়, আর দুই লেগ মিলিয়ে ৭-১ ব্যবধান নিয়ে শেষ আটে উঠে যায় কোচ ওলে গুনার সোলসারের শিষ্যরা। কোয়ার্টার ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে তারা পেয়েছে দিনের অন্য ম্যাচে ইস্তানবুল বাসেকসাহিরকে ৩-০ ব্যবধানে হারানো কোপেনহেগেন এফসিকে।
গেতাফের বিপক্ষে জয়টা অনেক সুখস্মৃতিই ফিরিয়ে আনে ইন্টার শিবিরে। ২-০ জয়ের ৩৩ মিনিটে রোমেলু লুকাকু আর ৮৩ মিনিটে ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন লক্ষ্যভেদ করেন। এ নিয়ে টানা অষ্টম ইউরোপা ম্যাচে গোলের দেখা পান, উয়েফা কাপ যুগে সমানসংখ্যক ম্যাচে গোল করে রেকর্ডটি গড়েছিলেন অ্যালান শিয়েরার। এদিনের গোলটি চলতি মৌসুমে লুকাকুর ৩০তম গোল। ২০১০-১১ মৌসুমের পর মৌসুমে ৩০ গোলের মাইলফলক ছুঁতে পারেননি আর কোনো ইন্টার স্ট্রাইকারই! ২০১১ স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে আরো একটা ব্যাপার। সে মৌসুমের পর এবারই প্রথম কোনো ইউরোপীয় টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল ইন্টার।
