করোনা পরীক্ষা নিয়ে জোবেদা খাতুন সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার (জেকেজি হেলথকেয়ার) জালিয়াতির মামলায় আট আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি ১৩ আগস্ট দিন ধার্য করেছে আদালত। এর আগে বুধবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে আরিফুল হক চৌধুরী ও তার স্ত্রী ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীসহ আট জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। চার্জশিটে ৩১ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৯ জনকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
চার্জশিটভুক্ত আট আসামি হলেন—জেকেজি হেলথকেয়ারের সিইও আরিফুল হক চৌধুরী, চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী, আরিফের বোন জেবুন্নেছা রিমা, সাবেক কর্মচারী হুমায়ুন কবির হিমু ও তার স্ত্রী তানজিলা পাটোয়ারী, জেকেজির কো-অর্ডিনেটর আবু সাঈদ চৌধুরী, জেকেজির কর্মচারী বিপুল দাস এবং শফিকুল ইসলাম রোমিও।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, মামলার তদন্তকালে জেকেজির কম্পিউটার থেকে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার ১ হাজার ৯৮৫টি ভুয়া রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এই জালিয়াতির মাস্টারমাইন্ড আরিফুল। এক্ষেত্রে অন্য আসামিরা বিভিন্নভাবে তাকে সহযোগিতা করত। এছাড়া মামলার অন্যতম আসামি হিরু ছিল গ্রাফিক্স ডিজাইনার। তার হাত দিয়ে তৈরি হতো ভুয়া সনদ। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে জেকেজির চুক্তিতে ‘গাফলতি’র বিষয়ও চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।
