বাউফলের কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জোড়া খুনের ঘটনায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন লাভলুর বিরুদ্ধে দলীয় বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একই সঙ্গে দুই কর্মী খুনের মূল কারণ উদ্ঘাটনের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর মোহাম্মদ হাওলাদারকে প্রধান করে ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস জনতা ভবনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় জানানো হয়, কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন মো. মনিরুল ইসলাম টিটু।
উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সালাউদ্দিন পিকু ও সাধারণ সম্পাদক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন লাভলুর মধ্যে স্থানীয় প্রভাব বিস্তার নিয়ে গত রবিবার সংঘর্ষ হয়। এ সংঘর্ষে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সালাউদ্দিন পিকুর সহোদর যুবলীগ নেতা রাকিব উদ্দিন রোমান ও চাচাতো ভাই ইশাত তালুকদার খুন হয়। মঙ্গলবার নিহত রোমানের বড় ভাই মফিজ উদ্দিন মিন্টু বাদী হয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কেশবপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন লাভলুকে প্রধান আসামি করে ৫৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১৫/১৬ জনের বিরুদ্ধে বাউফল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ খুনের ঘটনায় বাউফল থানা পুলিশ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে পুলিশ গঠন করেছে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি।
