বৃহত্ ও সেবা খাতে প্রণোদনা প্যাকেজ

সহজে পুনঃঅর্থায়ন নিতে পারবে ব্যাংকগুলো

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২০, ০০:৩৩

করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত বৃহত্ শিল্প ও সেবা খাতের জন্য গঠিত ১৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণ আরো সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ঝামেলা ছাড়াই যেন পুনঃঅর্থায়ন নিতে পারে সে জন্য বিভিন্ন বিষয় স্পষ্টীকরণ করা হয়েছে। গতকাল এসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়।

শিল্প ও সেবা খাতের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর নিজস্ব উত্স থেকে ঋণ তার অর্ধেক মাত্র ৪ শতাংশ সুদে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পুনঃঅর্থায়ন পাবে। গ্রাহক পর্যায়ে ব্যাংকগুলো সাড়ে ৪ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে। আর সরকার ভর্তুকি দেবে আরো সাড়ে ৪ শতাংশ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শিল্প ও সেবা খাতের চলতি মূলধন ঋণসুবিধার লক্ষ্যে গঠিত পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের মেয়াদ হবে তিন বছর। আর এক্ষেত্রে চলতি বছরের ৪ আগস্ট থেকে ২০২৩ সালের ৩ আগস্ট পর্যন্ত মেয়াদ ধরা হবে। গ্রাহককে দেওয়া ঋণের বিপরীতে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকে পুনঃঅর্থায়নের জন্য যে তারিখেই আবেদন করুক, তার আগের মাসের স্থিতির আসল অঙ্কের ওপর ভিত্তি করে পুনঃঅর্থায়নের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পুনঃঅর্থায়নের প্রথম কিস্তি পাওয়ার তারিখ থেকে এক বছর সময়সীমা হিসাব করা হবে।

এতে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে তারিখে ব্যাংকের হিসাবে যে পরিমাণ অর্থ পুনঃঅর্থায়ন হিসাবে দেওয়া হবে, সেই তারিখ থেকে ঐ পরিমাণ অর্থের ওপর দৈনিক ভিত্তিতে সুদ হিসাবায়ন করে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের টাকা চলতি হিসাব বিকলনপূর্বক আদায় করা হবে। ইতিমধ্যে পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণকারী বা নতুনভাবে গ্রহণে আগ্রহী ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত ছকে সব ধরনের তথ্য অফসাইট সুপারভিশন বিভাগে জমা দিতে হবে। একই ছকের মধ্যে বিদ্যমান পুনঃঅর্থায়ন এবং নতুন সুবিধার জন্য যাচিত তথ্য দিতে বলা হয়েছে। আর নতুন পুনঃঅর্থায়নের ক্ষেত্রে সংযোজনী-ক অনুসারে আবেদন করতে হবে।