ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক পরীক্ষিত। দুই দেশের সম্পর্কে অবনতি ঘটানোর জন্য কেউ কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালায়। কিন্তু বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক এত হালকা নয়। গত কয়েক বছরে দুই দেশের মধ্যে অনেক কাজ হয়েছে। ছিটমহল সমস্যা, সমুদ্রসীমানা বিরোধের সমাধান হয়েছে। দুই দেশ উন্নয়নে অংশীদার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাত্কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাত্ অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ভারতীয় হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের ওপর লিখিত বই হিন্দিতে অনুবাদ করার জন্য অনুরোধ করেন। এছাড়া ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের জনগণের আনন্দের অংশীদার হতে ভারত ইচ্ছুক বলে জানান।
বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে বলে দুই জন আশা প্রকাশ করেন।
স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতীয় মিত্র বাহিনীর শহিদ সদস্যদের অবদান স্মরণে বাংলাদেশ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করছে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সরকার ও জনগণের সহায়তার কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। রীভা গাঙ্গুলির ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে পরবর্তী পদায়নের জন্য অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান আ ক ম মোজাম্মেল হক। তার বিদেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্বকালীন দুই দেশের সুসম্পর্ক ভিন্ন মাত্রা পাবে বলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
