গোপালগঞ্জে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত  

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২০, ১১:২৫

গোপালগঞ্জে মধুমতি নদী, কুমার নদের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গোপালগঞ্জ সদর, মুকুসুদপুর, কাশিয়ানী, টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলার বিলবেষ্টিত নিম্নঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এ পর্যন্ত জেলার ৩২টি গ্রামের অন্তত ৩২শ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট পানিতে নিমর্জিত হয়েছে। এ দিকে মধুমতি নদী ও মধুমতি বিলরুট চ্যানেলের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মানিকদহ, উরফি, ইছাখালি ও ধলইতলায় নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

পানি বেড়ে অন্তত ১২শ মাছের ঘের ভেসে গেছে। আমন ধানের বীজতলা ও ক্ষেতের আউশ ধান তলিয়ে গেছে। নষ্ট হয়েছে সবজি ক্ষেত। বানভাসী ৮শ পরিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইউপি পরিষদ ও উচু সড়কে আশ্রয় নিয়েছে। তারা পরিবার পরিজন ও গবাদিপশু দিয়ে অবর্ননীয় দুঃখ কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ বৈদ্য বলেন, মধুমতি বিলরুট চ্যানেলের পানি বিপদসীমা দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মধুমতি নদীর পানি বিপদ সীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল মধুমতি নদীর পানি ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এছাড়া ৪ স্থানে নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণের ডিডি ড. অরবিন্দু কুমার রায় বলেন, আমন ধানের বীজতলা ও ক্ষেতের আউশ ধান তলিয়ে গেছে। নষ্ট হয়েছে সবজি ক্ষেত। কৃষি বিভাগের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপনে আমরা কাজ করছি। গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা জানান, সব সময় জেলার বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করা হচ্ছে। দুর্গত এলাকায় মানবিক খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।

ইত্তেফাক/আরকেজি