বরিশাল নগরীর কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অমানবিক আচরণের অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী। গত ৩০ জুলাই বিএমপি কমিশনার শাহাবুদ্দিন খানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন বরিশাল সদর উপজেলার চড়বাড়িয়া ইউনিয়নের সাপানিয়ার বাসিন্দা জামাল শরীফ।
জামাল অভিযোগ করেন—তার পৈত্রিক সম্পত্তি দখল, স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত করলেও তিনি কোনো প্রতিকার পাননি। মারধরের শিকার হয়ে থানায় গিয়ে বিষয়টি ওসি আজিমুল করিমকে জানিয়ে প্রতিকার চাইলে তিনি আগে চিকিত্সা নিতে বলেন। শুধু তাই নয় চিকিত্সা নিয়ে হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে তার স্ত্রী, কলেজ পড়ুয়া কন্যা সন্তানসহ তাকে আটক করেন ওসি। ঘুষ না দেওয়ায় আমাকে যারা মারধর করেছেন তাদের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে আমার বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করেন। ওসি ও তার সহযোগী এসআই মো. জসীম, এএসআই আ. রহিম ও এএসআই হালিম মিলে ঐ এলাকার ভূমিদস্যু হাদিস মীরের পক্ষ নিয়ে তাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করেন। জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে অসহায় মানুষদের নিঃস্ব করার অভিযোগে গত ১৭ জুন হাদিস মীরকে ডিএমপি পুলিশ গ্রেফতার করে। গত ১৬ জুলাই দুই মত্স্যজীবীও বিএমপি কমিশনার, উপ-কমিশনারের কাছে ঐ ওসির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। মানিক ও সোহেল নামে দুই মত্স্যজীবী জানান, তাদের পুকুরে জাল ফেলতে গেলে ওসি তাদেরকে বিবস্ত্র করে পেটাতে থাকেন। পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান জানান, যে কোনো অভিযোগ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তদন্ত হয়। উল্লেখিত অভিযোগের তদন্ত চলছে।
