স্পোর্টস রিপোর্টার
করোনাকালে বিসিবির ব্যবস্থাপনায় ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করছেন ক্রিকেটাররা। ঈদের আগে দিন দশেক অনুশীলন করেছেন মুশফিকুর রহিম-ইমরুল কায়েসরা। ঈদের পর দেশের পাঁচ স্টেডিয়ামে অনুশীলনে নেমেছেন ২৭ ক্রিকেটার। গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো মিরপুর স্টেডিয়ামে অনুশীলন করলেন ক্রিকেটাররা। মুশফিক, মাহমুদউল্লাহদের সঙ্গে নতুন করে আল-আমিন হোসেন, আফিফ হোসেন ধ্রুব, সাব্বির রহমান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লবরা ঘাম ঝরিয়েছেন শেরেবাংলায়।
রুটিন অনুযায়ী সবাই নিজের মতো কাজ করে ফিরে যাচ্ছেন। রানিং, জিম, ব্যাটিং, বোলিংয়ে সীমাবদ্ধ সবার কাজ। করোনায় চার মাস বসে থাকার পর এটুকু অনুশীলনও কম নয়। ক্রিকেটারদের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে সাহায্য করছে এই চেষ্টা। কিন্তু মুমিনুল-ইমরুলদের এই অনুশীলনে নজর নেই কারো। সূচি অনুযায়ী বিসিবির ট্রেনাররা ক্রিকেটারদের সঙ্গে থাকেন। গতকাল যেমন বিসিবি একাডেমি মাঠে ইমরুলকে অ্যাজিলিটি ড্রিল করালেন ট্রেনার ইফতেখারুল ইসলাম। পরে বিজয়-বিপ্লবের রানিং সেশনও পরিচালনা করেন তিনি। এর বাইরে স্থানীয় কোচদের কেউই নেই ক্রিকেটারদের সঙ্গে। ক্রিকেটাররা ইনডোরে নেট সেশন করেন। নির্বাচকদেরও দেখা যায় না। অবশ্য ব্যক্তিগত এই অনুশীলনে আগ্রহ নেই টিম ম্যানেজমেন্টের কারোই। দলীয় অনুশীলন, ক্যাম্প শুরু হলেই সবাই শামিল হবেন। তার আগে এমন অনুশীলনে মনোযোগ নেই কারোই।
গতকাল জানতে চাইলে জাতীয় দলের টিম সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এখন গিয়ে কি দেখব? একাকী অনুশীলন করছে ওরা। রানিং দেখে তো কিছু হবে না। করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবকিছু হচ্ছে। ওরা অনুশীলন করছে, এটা ভালো। সবকিছু মানে ক্যাম্প শুরু হোক, তখন সবাই থাকবে। ক্রিকেটারদের দেখার বিষয়ও তখনই আসবে। সবার অবস্থা কেমন।’ অবশ্য অনুশীলনে আসছেন যেসব ক্রিকেটার তাদের আগ্রহের কমতি নেই। নিজেদের প্রয়োজনেই পরিশ্রম করছেন তারা, ফিট থাকার চেষ্টা করছেন। ঈদের আগে রাজশাহীতে থাকলেও এখন মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করছেন সাব্বির রহমান। চার মাস পর মিরপুরে ফিরে খুশি এই ক্রিকেটার। ইংল্যান্ড-পাকিস্তানের খেলা হতাশা কাজ করলেও সাব্বির কিছুটা স্বস্তিতে যে, অন্তত ক্রিকেট মাঠে ফিরেছে।
জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মরিয়া সাব্বির। গতকাল বলেছেন, ‘আমাদের দেশে যদি সব ঠিকঠাক থাকে ইনশাল্লাহ আমরা খুব তাড়াতাড়ি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলব। খুব উজ্জীবিত হয়ে আছি আমরা খেলার জন্য। খুব মরিয়া হয়ে আছি।’
