শৈলকুপা উপজেলার দুটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হচ্ছে—গাড়াগঞ্জ-শৈলকুপা ও লাঙ্গলবাঁধ-শৈলকুপা সড়ক। এ সড়ক দুইটি বেহাল হয়ে আছে অনেক দিন ধরে। খানাখন্দে ভরা সড়ক দিয়ে চলাচলে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ জনগণ।
উপজেলা সদরের সঙ্গে জেলা সদরের যোগাযোগের একমাত্র সড়ক হচ্ছে শৈলকুপা-গাড়াগঞ্জ সড়ক। আট কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এ সড়কটি ভেঙেচুরে গেছে। ১৯৬৫ সালে গাড়াগঞ্জ শৈলকুপা অংশ হেরিংবোন করা হয়। পরবর্তী সময়ে পাকা করা হয়। এক সময় সড়কটি হাতবদল হয়ে এলজিইডির অধীন যায়। পরবর্তীকালে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে ন্যস্ত হয়। শৈলকুপা লাঙ্গলবাঁধ সড়কের দৈর্ঘ্য ১৪ কিলোমিটার। এ সড়ক শৈলকুপার সঙ্গে ব্যবসাকেন্দ্র লাঙ্গলবাঁধ বাজারকে যুক্ত করেছে। তাছাড়া এ সড়ক পথে গড়াই নদী পার হয়ে সহজে রাজবাড়ি যাওয়া যায়। এক সময় এ সড়কের মালিক ছিল জেলা পরিষদ। বর্তমানে মালিক সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কয়েকবার এ সড়কটি মেরামত করা হয়েছে। অভিযোগ নিম্নমানের কাজের জন্য টেকেনি। বর্তমানে এ সড়কটি খানাখন্দে ভরা। কোনো কোনো স্থানে দুই-তিন ফুট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সিএনজি চালক আব্দুল হান্নান জানান, শৈলকুপার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দুটি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দেখার কেউ নেই। ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে।
সড়ক ও জনপথের ঝিনাইদহের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হুদা জানান, শৈলকুপা লাঙ্গলবাঁধ সড়ক মেরামতের জন্য অক্টোবর-নভেম্বর মাসের দিকে টেন্ডার হবে। আর শৈলকুপা-গাড়াগঞ্জ সড়ক মেরামতের পিপি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পাশ হলে টেন্ডার কল করা হবে। তারপর কাজ হবে।
