প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয়/প্রকৌশল কলেজ থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছাত্রছাত্রী কৃষি, মত্স্য ও সিএসই-তে মাস্টার্স করে বেরিয়ে আসে, বেশিরভাগেরই কর্মসংস্থান হয় না, বিশেষায়িত শাখায় পড়ালেখার উদ্দেশ্য শুরুতেই হোঁচট খায়। এ অবস্থায় সরকারি/ বেসরকারি/ এমপিওভুক্ত/ ননএমপিওভুক্ত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, মাদ্রাসায় গতানুগতিক বিষয়ের বাইরেও কৃষি, মত্স্য ও আইসিটি বিষয়ে আলাদা বিভাগ খোলা হলে তারাও অন্যদের মতো ৯ম গ্রেডের প্রভাষক পদে চাকরির সুযোগ যেমন পেত, তেমনি উল্লিখিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকার কারণে মাঠ পর্যায়ে কৃষি, মেস্য ব্যবহারিক প্রয়োগের মাধ্যমে ছাত্র ও এলাকাবাসীর হাতে-কলমে জ্ঞান লাভের সুযোগ মিলত। আর কম্পিউটার ল্যাবের কল্যাণে আইসিটিতেও দক্ষ লোকবল গড়ে উঠত। কৃষি, মত্স্য ও আইসিটিতে ব্যক্তি, পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে উদ্যোক্তা হওয়ার মনোবলও জোরালো হতো। বিশেষায়িত শাখায় পড়ালেখার লক্ষ্য পূরণ হলে এবং চাকরির নিশ্চয়তা থাকলে আমলা হওয়ার ঝোঁকও কমত। প্রসঙ্গক্রমে দৃষ্টি আকর্ষণ করি—এইচএসসি-তে পদার্থ, রসায়ন, গণিত ইত্যাদি বিষয় দুটো পার্ট মিলে একটা পার্ট করে সে জায়গাগুলোতে কৃষি, মত্স্য বিভাগ ও সিএসই-দের জন্য আইসিটি বিভাগ খোলার ব্যবস্থা করা। এইচএসসির পর যেখানে যে কোনো বিষয়ে উচ্চতর জ্ঞান লাভের ব্যাপক সুযোগ আছে, সেখানে এইচএসসিতে দুটো করে পার্ট রাখার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। বিষয়গুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আল এমরান স্বপন
১৪৭ দক্ষিণ পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬
