ভোলার মূল ভূ-খণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্যের সি-বিচ আর হরিণের চারণভূমি খ্যাত রূপালী দ্বীপ মনপুরা। এটি পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় একটি স্থান। সুবিশাল নদী, চতুর্দিকে বেড়িবাঁধ, বিভিন্ন ধরনের ধানের খেত, বিশাল ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছের বাগানে সমৃদ্ধ মনপুরা। মনপুরা উপজেলা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষের কাছে যেমন আকর্ষণীয় ও দর্শনীয় জায়গা তেমনি বিদেশিদের কাছেও।
মনপুরার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে ম্যানগ্রোভ প্রজাতির সারি সারি বাগান। মনপুরায় রয়েছে ছোট বড় ৮-১০টি চর ও বন বিভাগের প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে সবুজ বিপ্লব। শীত মৌসুমে শত শত পাখির কলকাকলিতে মুখর থাকে এসব চরাঞ্চল। ১৮৩৩ সালে মনপুরাক ভোলা জেলার অধীনে চিরস্থায়ী বন্ধোবস্ত দেওয়া হয়। ১৯৮৩ সালে মনপুরাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়। মনপুরা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলম, শিক্ষাবিদ এ কে এম শাহজাহান ও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ ভুঁইয়া জানান, এই উপজেলার অপার সম্ভাবনা নিয়ে কেউ তেমন ভাবছেন না। উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসলে এখানে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন বলেন, নদী ভাঙন থেকে রক্ষার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিনোদনের ব্যবস্থা করলে মনপুরা হতে পারে আদর্শ পর্যটন কেন্দ্র।
মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধা, ভালো মানের হোটেল, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিসহ বিভিন্ন সুবিধা বাড়াতে পারলে মনপুরা হতে পারে দর্শনীয় স্থান।
মনপুরা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেলিনা আকতার চৌধুরী জানান, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার স্বপ্ন মনপুরাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপির সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যটনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
