রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় যুবক ও গৃহকর্মী কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে বাড্ডায় নিজের ঘর থেকে সজল হোসেন নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সকালে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, সজল একটি ফাস্টফুডের দোকানের কর্মচারী ছিলেন। তিনি বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকার একটি টিনশেড বাসায় দুই ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন। বাড্ডা থানার ওসি পারভেজ ইসলাম বলেন, কোনো কারণে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এছাড়া গুলশানের বাসা থেকে আতুরী মারমা নামে এক কিশোরী গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
গুলশান থানার এসআই সাদেক মিয়া জানান, গুলশান-১ নম্বর সেকশনের ১৪০ নম্বর সড়কের এক নম্বর বাসার তৃতীয় তলায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করত আতুরী। গতকাল বুধবার সকালে সেখান থেকেই তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, টাকা পাঠানো নিয়ে বাবার সঙ্গে বাগিবতণ্ডা ও মনোমালিন্যের জের ধরে সে আত্মহত্যা করে। এছাড়া অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। আতুরীর বাড়ি খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি গ্রামে।
