করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে বিনোদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ। তবে খোশ মেজাজে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে দিনাজপুরের রামসাগর মিনি চিড়িয়াখানায় চিত্রাহরিণের পাল। কোলাহল নেই, নেই দর্শনার্থী। এমন পরিবেশ থেকে মুক্ত এই হরিণের পাল তাদের ইচ্ছেমত ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেই সঙ্গে রামসাগর উদ্যানে নীল গাইটিও একাকি চলাফেরা করছে। প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য নয়নাভিরাম দীঘিটি পর্যটকদের মনকে ছুঁয়ে যেতো ভালোলাগার পরশে। পর্যটকদের দৃষ্টিকাড়তো এই রামসাগরের মিনি চিড়িয়াখানার মায়াবী চিত্রাহরিণগুলো ও নীল গাইটিকে দেখে। আর এই চিত্রাহরিণের সংসারে গত কয়েক মাসে এসেছে ৯টি নতুন অতিথি। এ নিয়ে এখন মিনি চিড়িয়াখানায় নতুন অতিথিসহ ৫৫টি চিত্রাহরিণ। আরো উদ্যানে আছে ১টি হনুমান, ৫টি বানর ও ৩টি অজগর সাপ, আরো কিছু চীনা মুরগী। চিত্রাহরিণগুলোকে খাদ্যের জন্য ছোলা, নেপিয়ার ঘাস, গমের ভুসি, ভুট্টা ভাঙ্গা, চক্কর, লতাপাতা ইত্যাদি খাবার দেওয়া হয়। চিত্রাহরিণের প্রিয় খাবার শাপলা পাতা। রামসাগর দিঘিতে শাপলা চাষ করা গেলেই খাবারের চাহিদা কিছুটা পূরণ করা সম্ভব বলে জানান ফরেস্টার মো. সাদেকুর রহমান।
দিনাজপুর রামসাগর জাতীয় উদ্যানের ফরেস্টার মো. সাদেকুর রহমান জানান, রামসাগর জাতীয় উদ্যানের মিনি চিড়িয়াখানায় সরকারিভাবে ৬টি চিত্রাহরিণ আনা হয়। হরিণগুলো দ্রুত বংশবিস্তারে বাড়তে বাড়তে এদের সংখ্যা হয় ৫৫টি। এদিকে কয়েক মাসে ৯টি মা হরিণের নতুন অতিথি এসেছে। গত বছরের আগস্টে ৭টি চিত্রাহরিণ সিলেট ইকো পার্কে নেওয়া হয়। আরো জানান, পুরুষ নীল গাইটি একাকি জীবনযাপন করছে, তবে এটি বেশিদিন এখানে থাকবে না। ঢাকা বিভাগের গাজীপুর জেলায় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে স্থানান্তরিত করা হবে।
