কামারখন্দে সেতুর অভাবে দুর্ভোগ!

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২০, ২১:২৭

কামারখন্দে সেতুর অভাবে ১৪ গ্রামের মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। উপজেলার দশসিকা গ্রামে ফুলজোড় নদীর ওপর সেতু নির্মিত হলে স্বস্তি ফিরবে এই অঞ্চলের মানুষের। বন্যার কারণে নৌকায় করে মুরগির খাদ্য ও মুরগি পরিবহন করতে সমস্যা হওয়ায় বন্ধ হয়েছে বেশ কিছু মুরগির খামার। লোকসানে পড়েছেন বহু খামারি। বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চর দশসিকা গ্রামে ফুলজোড় নদীর ওপর ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার হচ্ছেন অনেক মানুষ। আবার সন্ধ্যা নামলেই নৌকা থাকে না। শিক্ষার্থী ও জরুরি রোগীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। চর দশসিকা গ্রামের পোলট্রি খামারি কাউসার জানান, নদীতে পানি আসার কারণে মুরগির খাদ্য ও মুরগি আনতে সমস্যা হওয়ায় গত চার মাস যাবত্ খামার বন্ধ রয়েছে। এ এলাকায় একটি সেতু হলে ভালো হয়। চর শাহবাজপুর গ্রামের আবু সাইদ জানান, এই এলাকায় ফুলজোড় নদীর ওপর একটি সেতু না থাকায় আমাদের কয়েক কিলোমিটার সড়ক ঘুরে উপজেলা সদরে যেতে হয়। অনেক সময় নৌকা না পাওয়ায় জরুরি রোগী নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। চর গাড়াবাড়ী গ্রামের জাকির মাহী জানান, বছরের প্রায় ৮/৯ মাস ফুলজোড় নদীতে পানি থাকে। নদীতে পানি থাকাকালীন ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার হতে হয়। তারপর পানি কমে যাওয়ায় কাদা মাটির মধ্যে দিয়ে খুব কষ্টে পার হতে হয়। উপজেলা এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী আবু হানিফ জানান, দশসিকা গ্রামের ফুলজোড় নদীর ওপর ১৫০ মিটার সেতু নির্মাণের জন্য মাটি পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় সব জরিপ ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। সেতুটি নির্মাণের জন্য অনুমোদন দিয়েছে। বর্তমানে ডিজাইনের ব্যাপারটি প্রক্রিয়াধীন আছে।