আড়াইহাজার উপজেলায় হঠাত্ বেড়ে গেছে অপরাধপ্রবণতা। চলতি সপ্তাহে খুন, ধর্ষণ, চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ মাসেই থানায় তিনটি হত্যাসহ মোট ১১টি মামলা হয়েছে।
গত ৮ আগস্ট সকালে মদনপুর-আড়াইহাজার সড়কের ব্রাহ্মণদীকান্দা পল্লীবিদ্যুত্ প্রজেক্টের সামনে থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আশু মোল্লা নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আশু মোল্লা সোনারগাঁওয়ের মিরেরবাগ এলাকার মৃত মালেক মোল্লার ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশাচালক। অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। এই মামলায় কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি। তাছাড়া ৫ আগস্ট রাত ও ৬ আগস্ট ভোরে উপজেলার উচিতপুরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য হানিফ ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জাফর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আনোয়ার হোসেন নামে এক জন নিহত হন। এ ঘটনায়ও কেউ গ্রেফতার হয়নি। ১১ আগস্ট উপজেলায় তৈরি পোশাক কারখানার এক শ্রমিককে গণধর্ষণের অভিযোগে পাঁচ জনকে আসামি করে আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ঐ নারী। ৫ আগস্ট বগাদী গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের মিলিয়ে মোট ১৫ জন আহত হয়। একই দিন উপজেলার সিংহদী গ্রামে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ হয়। ভাঙচুর করা হয় স্থানীয় আওয়ামী লীগের অফিস। আহত হয় পাঁচ জন।
৮ আগস্ট বিশনন্দী ফেরিঘাটে পুলিশ চাঁদাবাজির অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করে। ৬ আগস্ট সদাসদী গোয়াবাড়ী ব্রিজের অদূরে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। গত বুধবার বিকালে উপজেলার গোপালদী বাজার থেকে সাইফুল নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আড়াইহাজার থানার ওসি (তদন্ত) শওকত আলী জানান, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অপরাধ হচ্ছে। তার সঙ্গে সঙ্গে আসামিও গ্রেফতার হচ্ছে।
