সাত আসামি র্যাবের রিমান্ডে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২০, ২২:১০

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় সাত দিনের রিমান্ডের আদেশপ্রাপ্ত আসামি চার পুলিশ সদস্য এবং ঐ ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে জেলা কারাগার থেকে এ সাত জনকে র্যাবের হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে গত বুধবার এসব আসামিদের বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ। অপরদিকে এই হত্যা মামলায় এএসপি মোহাম্মদ খায়রুল ইসলামকে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।

র্যাব হেফাজতে রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আব্দুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া এবং পুলিশ দায়েরকৃত মামলার সাক্ষী মো. নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াজ।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের সুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন জানান, মেজর সিনহা হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা ঐ সাত জনকে কারাগার থেকে র্যাব হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের আগে তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়েছে।

এদিকে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইও মোহাম্মদ খায়রুল ইসলামও র্যাবে কর্মরত বাংলাদেশ পুলিশের একজন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার। এর আগে শুরুতে র্যাব-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জামিল আহমদকে এই মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছিল। তার স্থলে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এসেছেন খায়রুল ইসলাম। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ।

তিনি জানান, রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামি বরখাস্ত হওয়া চার পুলিশ সদস্য এবং সন্দেহজনক তিন আসামি নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছকে নতুন আইও খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বে শুক্রবার সকালে জেলা কারাগার থেকে রিমান্ডের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

র্যাব-১৫-এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, কিছু সমস্যার কারণে সিনহা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে অন্য আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।