নয়া অতিথির আগমন
টুনটুনি গো টুনটুনি
কান বাড়িয়ে শুনছো নি
ইঁদুর মামার বাচ্চা হবে
রঙিন কাঁথা বুনছো নি?
ফুল তুলেছি কাঁথার বাঁকে
চাঁদ এঁকেছি মাঝে
পদ্মগুলো জলের শোভায়
পরির মতো সাজে।
ইঁদুর মামার ছানা হবে
বেশ তো খবর খুশির
মিউমিউ ডাকছে দেখ
বাচ্চাগুলো পুষির।
নিজের ডিমে তা দিয়েছি
ফুটবে ক’দিন বাদে
আকাশ নীলে মেলবে ডানা
স্বাধীনতার সাধে।
ছুটি
খাটাখাটি খুব হলো
রেখে দাও কাজকে
চলো যাই মার্কেটে
ছুটি নাও আজকে।
হেঁটে হেঁটে হাটে যাবো
খাবো ক্ষীর মিষ্টি
এই দ্যাখো দাঁত আমার
গুনে গুনে বিষটি।
ললিপপ চুষে খাবো
হাতে রবে ডান্ডা
বৃষ্টিতে ভিজে যাবো
হোক জ্বর ঠান্ডা।
তোমাকেও কিনে দেবো
গম ধান বার্লি
চলো চলো হাঁটা ধরো
যেতে হবে আর্লি।
দুষ্টের মিষ্টি সময়
নেচে নেচে উড়বো
পাক খেয়ে ঘুরবো
হবো ভাই পাক্কা
আকাশের নীল খামে
শিশিরের দিল ঘামে
বায়ুভরা চাক্কা।
মন থাকে দুষ্ট
পাকা আম পুষ্ট
ঢিল ছুড়ি কাঁপাতে
ফড়িঙের লেঙটি
ডোবাজলে ব্যাঙটি
থাকে খুব লাফাতে।
ফুরফুরে মেজাজে
বৃষ্টিতে ভেজা যে
গোল্লার মাঠেতে
খেলে ঘুরে কাটাতে
সুর দেয় আক্কাস
লাগে খুব ঝাক্কাস।
তিন মাথা তিন শিং
এলাটিং বেলাটিং
তিন মাথা
তিন শিং
গুঁতা মারে
হায় রে!
তেলাটিং মেলাটিং
ছয় পায়ে
পরে রিং
বুক দিয়ে
হেঁটে হেঁটে
যায় রে।
টিনটিন টুনটুন
গান গায়
গুনগুন
পিটপিট
কার পানে
চায় রে।
ডিংডিং ডাংডাং
সাঁতরিয়ে
সাত গাঙ
যায় দূরে
পেট পুরে
ক্ষীর পুলি
খায় রে।
