কপিরাইট নিয়ে ভুল জানাটাও ক্ষতিকর

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২০, ২০:২৭

জুয়েল মোর্শেদ। সঙ্গীতশিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে পরিচিত তিনি। তবে গানের কপিরাইট নিয়ে কাজ করছেন অনেকদিন। সম্প্রতি কপিরাইট নিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। আরেকপক্ষ এটিকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে অপব্যবহার করে। তা নিয়ে কিছুদিন আগে এক সংবাদ সম্মেলনও হয়। সার্বিক বিষয় ও তার বর্তমান কাজের বিষয় নিয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু

এখন গানের ব্যস্ততা আগের মত না থাকলেও অনেকে অল্প পরিসরে শুরু করেছেন। আপনার এ নিয়ে ব্যস্ততা কেমন চলছে এখন?

আসলে এই মহামারিতে শুধু গান নয়, অন্যান্য কাজও কমেছে। গান করতে মনে যেই আনন্দ লাগে সেটি কিন্তু নেই এখন। তবু যেহেতু আমরা যারা এটা পেশা হিসেবে নিয়েছি। তারা কাজ করে যাচ্ছি। আমি কয়েকটি কাজ করেছি। এরমধ্যে ঐশীর সঙ্গে একটি ডুয়েট গান করেছি। আসিফ আকবরের একটা গানের সঙ্গীতায়োজন করলাম। সেটির মিউজিক ভিডিওর কাজ চলছে। পাশাপাশি নিজের কিছু একক গান করেছি। তবে সেগুলো এখুনি রিলিজ দিচ্ছি না।

 

কপিরাইট নিয়ে আপনি অনেকদিন কাজ করছেন। নতুন কোনো কাজ নিয়ে বলুন—

আইয়ুব বাচ্চুর পরিবার আজ (গতকাল) থেকে ঘোষণা দিয়েছে তার গান বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে অনুমতি লাগবে। কারণ বাচ্চু ভাই বেঁচে থাকতে তার সব গানের কপিরাইট করে গেছেন। এখন কপিরাইট অফিস তাদের অভিবাবক হিসেবে কাজ করবে। আর আমি এখানে ট্যাকনিক্যাল বিষয়টি দেখছি।

 

শিল্পীদের মাঝে কপিরাইট সচেতনতা কেমন?

কপিরাইট নিয়ে সচেতচনা ভালো। কপিরাইট নিয়ে অসচেতনতার কারণে আমরা বছরের পর বছর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। অন্যদিকে কপিরাইট নিয়ে ভুল জানাটাও ক্ষতিকর। সম্প্রতি আমরা একটা প্রেস কনফারেন্স করি। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠান যারা শিল্পীদের এন্টি পাইরেসির বিষয়ে টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিত। তারা একজন শিল্পীকে হয়রানি করে এবং এরেস্ট করায়। এখন একটি গানের কপিরাইটের সঙ্গে যুক্ত থাকেন চারজন। সুরকার, গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী। এরপর একটা কমার্শিয়াল রাইটস থাকে। মাঝে যেই ঘটনাটা ঘটলো, একটি প্রতিষ্ঠান শুধু গীতিকার বা সুরকারের সঙ্গে যোগযোগ করে অন্যদের হয়রানি করছিল। এটি কিন্তু না জানার কারণে। একটা গানের প্রথম হচ্ছেন সুরকার। গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী যখন গানের কপিরাইট নিয়ে কাজ করবে তখন অবশ্যই সুরকারের প্রয়োজন হবে। এখানে একা করার কাজ না। আমাদের প্রেস কনফারেন্স ছিল এসব নিয়ে। সেই প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সেটি এখনো চলছে। আর সবাইকে বলা হচ্ছে কেউ যেনো বিভ্রান্ত না হোন।

 

অনেক গানের কপিরাইট এখনো করা হয়নি। সেগুলো নিয়ে কোনো কাজ কি করছেন?

কাজ নিয়মিত চলছে। সম্প্রতি আমরা ‘যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়’ ও ‘স্ট্রেশনের রেলা গাড়িটা’ শিরোনামে গান দুটি লোকেশন কাস্টম করে ব্যবসা করছে। বাইরের একটি কোম্পানি সঙ্গে চুক্তি করে তারা ব্যবসা করচে সেগুলো নিয়েও আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। আরো গান অনুসন্ধানের খোঁজে আমরা আছি।