দামুড়হুদার বিভিন্ন নদী-খাল-বিলের পাড়ে চাষিরা এখন পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও কাণ্ড থেকে পাট ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবার পাটের আবাদ ভালো হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে খানিকটা স্বস্তি থাকলেও দাম নিয়ে রয়েছে সংশয়। কুড়ু কৃষক হাসান আলী ও মিজানুর রহমান জানান, প্রতি বিঘা জমিতে উত্পাদন খরচ হয়েছে আট থেকে ১০ হাজার টাকা। দামুড়হুদা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এবার উপজেলায় ৬ হাজার ২৮৫ হেক্টর জমিতে পাট রোপণ করা হয়েছে, ২২৫ জন কৃষকের মধ্যে বীজ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
