স্বাস্থ্যবিধির কথা চিন্তা করে কারোনাকালে ট্রেনের টিকিট দেওয়া হচ্ছে এক সিট পরপর। সঙ্গত কারণে বেশিরভাগ যাত্রী ট্রেনের টিকিট পাচ্ছেন না। ফাঁকা সিটগুলো অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে পরিপূর্ণ হয়ে যায়—ফলে কোনো সিট খালি থাকে না। টিটিরা টিকিট অনুসন্ধান করেন ঠিকই, কিন্তু তার পিছনেই থাকে একদল অসাধু কর্মচারী। যাঁরা টিকিট কাটতে ব্যর্থ হন, তাঁদের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করা হয়। কিন্তু টিকিট বিহীন যাত্রীদের টিকিট দেওয়া হয় না। টিকিট দেওয়ার কথা বলে টিটি বা কর্মচারী উধাও হয়ে যান। আর টিকিট না পেয়ে ভুক্তভোগী হন সাধারণ যাত্রী। টিকিট বাবদ তোলা জরিমানার টাকা অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভাগাভাগি হয় আর রাষ্ট্র হারায় তার প্রাপ্য হিস্যা। অনলাইনভিত্তিক টিকিটব্যবস্থা নিঃসন্দেহে ভালো; কিন্তু তার বিকল্প ব্যবস্থার স্বচ্ছতা জরুরি। এ সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই।
মো. ওয়াদুদ রহমান ওয়ালিদ
পাংশা, রাজবাড়ি
