সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বাস্তবায়নে এগিয়ে চলেছি বঙ্গবন্ধুর প্রেরণায়

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২০, ২২:০৮

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বাংলা একাডেমি আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর প্রেরণায় আমরা এগিয়ে চলেছি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বরূপ বাস্তবায়নে।’ রবিবার বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে ‘শতবর্ষে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। স্বাগত ভাষণ দেন একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. বদরুল আরফীন। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান।

 কে এম খালিদ এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য ও সমার্থক শব্দ-প্রায়। তার সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে আমরা স্বাধীন ভূখণ্ড এবং লাল-সবুজের পতাকা অর্জন করেছি। আজও তারই প্রেরণায় আমরা এগিয়ে চলেছি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বরূপ বাস্তবায়নে। যত চেষ্টাই হোক না কেন বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে বিছিন্ন করা যাবে না। বঙ্গবন্ধুর জীবন ও বাংলাদেশ একাকার হয়ে গেছে। জীবদ্দশায় তিনি যেমন আমাদের সংগ্রাম ও সংকল্প প্রতীক ছিলেন, শাহাদতের এত বছর পরও তিনি তার সেই স্থানই স্বমহিমায় বিরাজমান রয়েছেন।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান বলেন, বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশ যেমন বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির অবদান অনন্য তেমনি বঙ্গবন্ধু এই কাজ তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই ছিলেন অগ্রণী ভূমিকায়। বাংলা একাডেমিও বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ধারক বাহক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর জাতীয়তাবাদী চেতনাকে অঙ্গীকার করে অগ্রসরমান হয়েছে। ১৯৭৪ সাল বাংলা একাডেমি আয়োজিত সাহিত্য সম্মেলন বঙ্গবন্ধুর প্রদত্ত ভাষণ মূলত আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক নীতিরই পরিচয়বহ। একাডেমির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলা একাডেমি বঙ্গবন্ধুর কারাগারের রোজনামচা, বাংলা থেকে অনূদিত প্রিজন ডায়েরিজ, অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং আমার দেখা নয়াচীন-এর গর্বিত প্রকাশক। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর প্রতি সশ্রদ্ধ নিবেদন হিসেবে পরিকল্পিত ১২৬টি গ্রন্থ ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে।