দেশের নদনদীর পানি কমতে শুরু করেছে। ফলে চলতি মাসে দেশে বন্যার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে সেপ্টেম্বর মাসে বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। তখন দেশের কোথাও কোথাও বন্যা হলে তা বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনবে না বলে মনে করছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া ইত্তেফাককে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, দেশের সব নদনদীর পানি বিপত্সীমার নিচে। ফলে আগস্ট মাসে বন্যার কোনো সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, ঢাকার আশপাশের নদনদী থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। তবে কোথাও কোথাও জলাবদ্ধতার কারণে আটকে আছে পানি।
গতকাল সোমবার বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় দেশের দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্যাঞ্চল এবং দক্ষিণ মধ্যাঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে উক্ত অঞ্চলের নদীসমূহের পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ১২৫ মিলিমিটার; বরগুনায় ১০৮ মিলিমিটার; টেকনাফ ও নোয়াখালীতে ৭৭ মিলিমিটার; মহেশখোলায় ৬০ মিলিমিটার; নারায়ণহাটে ৫৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ সময়ে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ১১৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে আজ মঙ্গলবার খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারীবর্ষণ হতে পারে। আগামী তিন দিন এই বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। গতকাল সন্দ্বীপে ১৫৭ মিলিমিটার; ঢাকায় ৩৫ মিলিমিটার; সীতাকুণ্ডে ১১৩ মিলিমিটার; মাইজদীকোর্টে ৭৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
