বেলারুশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। বিতর্কিত নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কোর পুনর্নির্বাচনের প্রতিবাদে চলমান বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের কর্মীরাও। তারা সেন্সরশিপ এবং নির্বাচনের ফলাফলে প্রতিবাদ করছেন। এর ফলে টিভিতে পুরোনো সব অনুষ্ঠান পুনঃপ্রচার করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কো ক্ষমতা ভাগাভাগিতে সমর্থন জানিয়েছেন। তবে ইসরাইল এবং থাইল্যান্ডে বিক্ষোভ চললেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। খবর বিবিসি ও আলজাজিরার
সপ্তাহান্তে রাজধানী মিনস্কে বিরোধীদের ডাকা একটি বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ যোগ দেন। এ সপ্তাহে আরো বিক্ষোভ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরাজিত বিরোধী প্রার্থী স্ভতলেনা তিখানোভস্কিয়া বলেছেন, তিনি অস্থায়ী একটি সরকারের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কো রবিবার এক সমাবেশ থেকে তার সমর্থকদের ‘দেশ ও স্বাধীনতা’ রক্ষার ডাক দিয়েছেন। লুকোশেঙ্কো ১৯৯৪ সাল থেকে টানা ক্ষমতায় রয়েছেন। রাশিয়ার সঙ্গে তিনি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন। তিনি গতকাল বলেছেন, দেশের স্বার্থে ক্ষমতা ভাগাভাগি করতে প্রস্তুত থাকলেও বিক্ষোভকারীদের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না। এরই মধ্যে সংবিধানে পরিবর্তন নিয়ে কাজও চলছে বলে জানান প্রেসিডেন্ট।
থাইল্যান্ডে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পাশাপাশি রাজসিংহাসনে সংস্কারের দাবি উঠেছে। দেশটিতে রাজসিংহাসনে সমালোচনা করলে শাস্তির বিধান রয়েছে। তার পরও বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। রবিবার ১০ হাজারের বেশি মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন যা গত ছয় বছর আগে সেনাবাহিনী ক্ষমতা নেওয়ার পর সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ। এতো বড় বিক্ষোভ হলেও সরকার থেকে সাড়া দেওয়া হয়নি।
ইসরাইলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। তবে নতুন করে বিক্ষোভে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি স্থান পেয়েছে। তারা শান্তিচুক্তির বিরোধিতা করছেন। এই শান্তিচুক্তির মাধ্যমে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন সাময়িক স্থগিত করার নীতি তারা মানতে চাইছেন না। নেতানিয়াহুর দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে অনেক দিন ধরেই। যদিও নেতানিয়াহু সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। নতুন বিক্ষোভ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
