সিলেটে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমছে

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২০, ২২:৫৬

সিলেট বিভাগে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ৩৬৯ হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় কেউ মারা যাননি। তবে রবিবার করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয় ৭০ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৪৬, সুনামগঞ্জে দুই ও মৌলভীবাজারে ২২ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ হাজার ৫০০ জন। বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয় জানায়,  গতকাল সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেট জেলায় ৫ হাজার ৫, সুনামগঞ্জে ১ হাজার ৭৫০, হবিগঞ্জে ১ হাজার ৩৭২ ও মৌলভীবাজার জেলায় ১ হাজার ২৪২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৫৬ জন। সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৫৮ জন।

মার্চ হতে গতকাল সোমবার পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে ১৭ হাজার ২৭৪ জনকে এবং কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ১৬ হাজার ৬৭৫ জনকে। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে অবস্থান করছেন ৫৯৯ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৩৪৪,     সুনামগঞ্জে ১১৪, হবিগঞ্জে ৪১ ও মৌলভীবাজারে ১০০ জন। সিলেট বিভাগে  সোমবার সকাল পর্যন্ত  মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১৭০। এর মধ্য সিলেটে ১২২, সুনামগঞ্জে ১৯, হবিগঞ্জে ১১ ও মৌলভীবাজারে ১৮ জন।

শামসুদ্দিন হাসপাতালে রোগী কমছে

এদিকে আশার কথা হচ্ছে—সিলেটের করোনা ডেডিকেটেড শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা কমে আসছে। সেখানে এখন সিট খালি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় অফিসের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান ইত্তেফাককে বলেন, এখনো এ বিষয়ে নিশ্চিন্ত হওয়ার সময় আসেনি। আরো সচেতন থাকতে হবে। ডা. আনিস বলেন, সিলেটে পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। আগে রোগী ছিল শতকরা ২৫-৩০ শতাংশ। এখন তা নেমে এসেছে ২০ শতাংশে। সম্ভবত মানুষের শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটা তৈরি হয়েছে।

করোনা ডেডিকেটেড শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে যেখানে শুরুতে স্থান সংকুলান হতো না সেখানে এখন সিট খালি। ১০০ শয্যার হাসপাতালে  ভর্তি  আছেন মাত্র ৬৫ জন। শামসুদ্দিন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আরএমও  জন্মেজয় দত্ত জানান, গত এক মাস থেকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া করোনা রোগী ৬৫-৭০ জনের মধ্যে। 

গত ৫ এপ্রিল সর্ব প্রথম সিলেটে করোনা রোগী শনাক্ত হলে রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তেই থাকে। শামসুদ্দিন হাসপাতালে সিট সংকট শুরু হলে পরিস্থিতি বিবেচনায় খাদিমপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও প্রস্তুত করা হয়। একই সঙ্গে কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালেও করোনা চিকিত্সা শুরু হয়। কর্মকর্তারা জানান, জুলাই মাসের মধ্য ভাগ থেকে সিলেটে  করোনা ভাইরাসের রোগী কমতে শুরু করেছে।