স্পোর্টস ডেস্ক
সাউদাম্পটন টেস্টে প্রায় পুরোটা সময় রাজত্ব করেছে বৃষ্টি। এর সঙ্গে আলোর স্বল্পতা তো ছিলই। এ কারণে গোটা পাঁচ দিনে খেলা হয়েছে মাত্র ১৩৪.৩ ওভার। দুই দলের খেলোয়াড়রা নিষ্প্রাণ ড্র মেনে নিতে বাধ্য হয়েছেন।
পাকিস্তান শিবির খেলা বন্ধ থাকায় স্বাভাবিক ভাবেই হতাশ। বোলিং কোচ ওয়াকার ইউনুস বলেন, ‘এটা খুবই হতাশাজনক। ছেলেদের ড্রেসিংরুমে বসে থাকতে হয়েছে। আবহাওয়ার সঙ্গে তো আমরা আর যুদ্ধ করতে পারি না।’ এমন সময়ে টেস্টে রিজার্ভ ডে রাখার দাবি উঠেছে। সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার এক টুইটে লিখেছেন, ‘বৃষ্টি ও আলোক স্বল্পতার নিয়মে পরিবর্তন আসা দরকার। যদি, ছয় ঘণ্টার বেশি খেলা বন্ধ থাকে, তাহলে একটা বাড়তি দিন যোগ করতে হবে।’
ওয়াকার ইউনুস অবশ্য একটা বাড়তি দিন রাখার পক্ষে নন। তিনি এর পেছনে দারুণ একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘একটা পিচ ছয় দিনের চাপ নিতে পারবে না। টেস্ট যখন পাঁচ দিনের হয় তখনই পিচের ওপর অনেক ধকল যায়। তৃতীয় দিনের শেষ বেলা থেকেই আসলে উইকেটের আচরণে পরিবর্তন আসা শুরু করে। সেক্ষেত্রে ছয় দিন অনেক বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে।’ আলোর স্বল্পতার বিষয়টি নিয়ে খোদ আইসিসিও বেশ চিন্তিত। জানা গেছে, আইসিসির ক্রিকেট কমিটির বৈঠকে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
