স্পোর্টস রিপোর্টার
এই বছরটায় আবু জায়েদ রাহির অনেক খেলা থাকতে পারত। হিসাব অনুযায়ী এই বছরে ১১টা টেস্ট খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। টেস্ট বোলার রাহির জন্য এটা ছিল দারুণ সুযোগ। কিন্তু এমন বছরটায়ই পাঁচ-ছয় মাস বসে থাকতে হলো। অবশেষে সেই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর মুখে আছে বাংলাদেশ। আর টেস্ট সফরের আগে নিজেকে পুরোদস্তুর ফিরে পাওয়ার চেষ্টায় আছেন রাহি।
সিলেটে একক অনুশীলন করছেন ফাস্ট বোলার রাহি। বলছিলেন, ফিটনেসটা একেবারে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে ভালো অনুভব করছেন এখন, ‘আমরা তো দুই সপ্তাহ ধরে অনুশীলন করছি। ফিটনেস ভালোই আছে। তবে বোলিং ফিটনেসটা এখনো নির্ধারিত মানে পৌঁছায়নি। আরো কিছুদিন সময় লাগবে।’
এখনো পুরো গতিতে বল করছেন না। রাহি বলছিলেন, আস্তে আস্তে গতি বাড়াচ্ছেন তিনি, ‘শুরু থেকেই বোলিং করেছি। প্রায় দুই সপ্তাহ হয়েছে বোলিংয়ের। কিন্তু স্বাভাবিক রানআপ ও গতিতে করছি না। দুটিই প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। আপাতত স্পট বোলিং করছি কেবল। আস্তে আস্তে গতি বাড়াব। অনেক দিন পর বোলিংয়ে কিছুটা তো সমস্যা হবেই।’
এখন নিজেকে আবার আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় আছেন এই ফাস্ট বোলার, ‘আন্তর্জাতিক খেলার মানই থাকে ভিন্ন রকম। ঐ মানের না হলে বোলিং করা সম্ভব হয় না। চেষ্টা করছি আমি। সিলেটে আমাদের চারটা উইকেট দিয়েছে। আমরা চার জন অনুশীলন করছি। সবগুলো উইকেটই তৈরি করা হয়েছে সবুজ ঘাসের। নিয়মিত বোলিং করে যাচ্ছি।’ রাহি বলছিলেন, তাদের নিয়ে কোচরা খুব পরিশ্রম করছেন, ‘সিলেটের যে কোচ, ওনারা অনেক কষ্ট করছেন। ফিল্ডিং বলেন, বোলিং বলেন, আমাদের নিয়ে তারা অনেক পরিশ্রম করছেন। উনি আমাদের স্পট বোলিং নিয়ে কাজ করছেন। প্রতিদিন সকালে এসে ওয়ার্মআপ করাচ্ছেন, রানিং করাচ্ছেন, ফিল্ডিং করাচ্ছেন, বোলিং করাচ্ছেন। অনেক পরিশ্রম করাচ্ছেন। মনেই হচ্ছে না জাতীয় দলের ক্যাম্পের বাইরে আছি।’
