মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি নেওয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়ার নামে দ্বিগুণ

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২০, ২১:৪৭

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে নৈরাজ্য

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে প্রতিনিয়ত পরিবহন মালিক ও কর্মচারীদের নৈরাজ্যের শিকার হচ্ছে যাত্রীরা। মানিকগঞ্জ জেলা প্রসাশন নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও জেলা পুলিশ নিয়মিত মামলা করলেও তা পরোয়া করছে না পরিবহন ব্যবসায়ীরা। ফলে এই রুটে চলাচলরত যাত্রী এখন অসহায়।

সরেজমিনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে পরিবহনে উঠে দেখা গেছে, মাস্ক ব্যবহারে সরকার বাধ্যতামূলক ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিলেও মানিকগঞ্জে গণপরিবহনের যাত্রী এবং ড্রাইভার-হেলপারদের মধ্যে তা ব্যবহারে অনীহা। এছাড়া গণপরিবহনেও মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। যাত্রী পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করার ঘোষণা দেওয়া হলেও গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে বাসে। তার পরও নেওয়া হচ্ছে ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়া। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দ্বিগুণ ভাড়া। ফলে প্রতিনিয়ত কন্ডাক্টরদের সঙ্গে বিবাদে জড়াচ্ছেন যাত্রীরা।

যাত্রী এবং পরিবহন একাধিক মালিকদের সঙ্গে কথা বললে দায় এড়ানোর জন্য একে অপরের প্রতি দোষ চাপায়। পরিবহন মালিকরা বলেন, ‘আমরা পরিবহনে অতিরিক্ত যাত্রী উঠতে দিচ্ছি না কেবল পরিবারের কেউ থাকলে পাশাপাশি সিটে বসে যাচ্ছে। যাত্রীরা বলেন, ‘সিট না ভরলে গাড়ি ছাড়ে না, মাঝে মধ্যে পুলিশ এসে ধমক দিলে চলে আসে। পরের স্টেশন থেকে বাড়তি যাত্রী তোলে। তা সত্ত্বেও নেয় বাড়তি ভাড়া। ’

শুভযাত্রা মালিক সমিতির সহসভাপতি ইদ্রিস আলী জানান, ‘আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রী নেওয়ার চেষ্টা করি কিন্তু কিছু যাত্রী জোর করেই পাশাপাশি সিটে বসে।’ মানিকগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আব্দুল জলিল বলেন, পরিবহন মালিকরা মুখে মুখে স্বাস্থ্যবিধির কথা বললেও দিন শেষে টাকা নেওয়ার সময় ডবল সিটের ভাড়া দাবি করে। এজন্য শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে অনিয়ম করে।

মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম বলেন, ‘যাত্রী হয়রানির জন্য আমরা নিয়মিত মামলা পরিচালনা করছি। তারপরও কিছু পরিবহন স্বাস্থ্যবিধি না মেনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়া মাত্র সেসব পরিবহনের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছি।