করোনা পরীক্ষার ফি কমিয়ে অর্ধেক করা হয়েছে :স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২০, ২২:২১

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা পরীক্ষা করাতে ফি ধরার কারণে টেস্ট কমে গিয়েছিল। তবে এখন ফি কমানোর পর টেস্টের সংখ্যা বাড়বে। জনগণের দিকে তাকিয়ে ফি কমানো হলো। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে করোনার নমুনা পরীক্ষার ফি কমানো বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে একথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফিয়ের কারণে অনেক দরিদ্র মানুষ পরীক্ষা করতে কিছুটা আগ্রহ হারিয়েছেন। এ বিষয়ে পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনাও করেছি। তার একটা নির্দেশনা নিয়েছি। আমাদের প্রস্তাবনায় তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন, হাসপাতালে গিয়ে ২০০ টাকা যে ফি নেওয়া হতো সেটা কমিয়ে ১০০ টাকা করার জন্য। আর বাড়িতে পরীক্ষা করাতে হলে ৫০০ টাকার পরিবর্তে ৩০০ টাকা নেওয়া হবে। জনগণের দিকে তাকিয়ে ফিয়ের নতুন হার বলবত করা হলো। আমরা আশা করি, ফি কমিয়ে দেওয়ায় টেস্টের সংখ্যা বাড়বে।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের সবসময় ইচ্ছা, টেস্ট করা হোক এবং সংক্রমিত ব্যক্তি চিহ্নিত হোক, তাদের সেবার আওতায় আনা হোক; কিন্তু টেস্টের সংখ্যা সেভাবে বাড়ে       নাই। আমাদের এখন যথেষ্ট ল্যাব রয়েছে, কিটসের কোনো অভাব নাই। আশা করি, এই পরিবর্তনের ফলে আগামীতে টেস্টের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।’ কবে নাগাদ এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সব স্বাক্ষর করা হয়ে গেছে, পত্রিকাতেও দিয়ে দেব। সার্কুলার হতে যতটুকু সময় লাগে। তবে শিগিগরই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।’ দেশে ভ্যাকসিন আনা প্রসঙ্গে চীন, রাশিয়া, আমেরিকা, যুক্তরাজ্যসহ সব দেশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে ভ্যাকসিনের গুণমান, সহজলভ্যতা, কার্যকারিতা বিচারবিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন। কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে বর্তমানে ৭০ ভাগ শয্যা খালি পড়ে থাকছে। এতে করে সেখানে বহুসংখ্যক চিকিত্সক, নার্স কর্মহীন বসে থাকছে। কাজেই যেসব হাসপাতালে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা একেবারেই কম, সেগুলোকে নন-কোভিড হাসপাতালে পরিণত করতে সরকার কাজ করছে। এতে নন-কোভিড রোগীরা আরো বেশি উপকৃত হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।