কক্সবাজারের ইনানী বিচে আসা-যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম সৈকত সড়কটি খানাখন্দকে ভরে গেছে। ফলে পর্যটকসহ অসংখ্য যাত্রী সাধারণকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতাধীন এ সড়ক দিয়ে দেশি-বিদেশি পর্যটক ইনানী বিচ ও তত্সংলগ্ন হোটেল-মোটেল গেস্টহাউজে অবকাশ যাপনের জন্য আসা-যাওয়া করছেন।
সরেজমিন ঘটনাস্থল কোটবাজার হয়ে ইনানী মেরিন ড্রাইভ পর্যন্ত সাত কিলোমিটার সড়ক ঘুরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কটি সংস্কারের আওতায় উন্নয়ন কাজ চলছে বিধায় যাবতীয় পরিবহন বাইপাস সড়ক কোর্টবাজার-সোনারপাড়া হয়ে মেরিন ড্রাইভ সংযোগ সড়ক ব্যবহার করে কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় যাওয়া-আসা করছে।
কোর্টবাজার ট্রাক-মালিক শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি মো. শাহজাহান তার মতামত ব্যক্ত করতে গিয়ে সাংবাদিকদের জানান, ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কটি বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দকের সৃষ্টি হয়েছে। এ সড়কটি অবিলম্বে সংস্কারের আওতায় আনা না হলে মনির মার্কেট এলাকায় রেজুখালের ভাঙনে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরী জানান, সড়কটির বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে।
কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও অভিলাষ খেলাঘর আসরের সভাপতি আদিল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, হাজার হাজার গাড়ি এ সড়কে চলার কারণে বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গেছে। গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে বালি কংক্রিট সরে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান, এ সড়কটি দ্রুত মেরামতের জন্য সড়ক ও জনপদ বিভাগ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বলেন, সড়কটি এলজিইডি (উপজেলা প্রকৌশলী) দেখাশুনা করছেন। উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে পরিপত্র পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ আসলে কাজ শুরু করা হবে।
