যানজট ও জলাবদ্ধতায় নাকাল পাবনা পৌরবাসী

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২০, ২১:৩৪

অল্প বৃষ্টিতেই পাবনা শহরের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিচ্ছে জলাবদ্ধতা। তাছাড়া বিভিন্ন সড়কে নিত্যযানজটে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে পৌরবাসী। নিয়ন্ত্রণহীন অটোবাইক আর ব্যাটারিচালিত রিকশায় নাকাল শহরবাসী।  সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পৌর এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোবাইক ২ হাজার ৫০০ আর অটোরিক্সা ২ হাজার ৫৫০টি চলাচল করছে।

পাবনা সরকারি বুলবুল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর শিবজিত নাগ বলেন, যানজটের প্রধান কারণ ব্যাটারিচালিত অটোবাইক ও অটোরিকশা। শহর যানজট মুক্ত করতে হলে সুপরিকল্পিতভাবে টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

পাবনা প্রেসক্লাবের সম্পাদক সৈকত আফরোজ আসাদ বলেন, ভারী বৃষ্টি হলেই পৌরসভার অনেকখানি অংশ পানির নিচে চলে যায়। পানি নিষ্কাশনের যথাযথ ব্যবস্থা নেই। পৌরবাসী বর্ষা মৌসুমে অতিষ্ঠ থাকেন।

এদিকে পাবনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহসভাপতি আলী মর্তুজা বিশ্বাস সনি বলেন, শহরের হামিদ রোডকেন্দ্রিক দোকানপাটের সামনের ফুটপাতের জায়গা একটি অসাধুচক্র ভাড়া দিচ্ছে বলে অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। তিনি বলেন, এরই মধ্যে আমরা চেম্বারের পক্ষ থেকে একটি উপকমিটি করে দিয়েছি। ঐ কমিটি প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্টদের সর্তক করে দিচ্ছেন। তারা যদি না মানেন, তাহলে আমরা শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করব। 

পাবনার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, ১০-১২ বছর আগে যানজট নিরসনে শহরের প্রধান রাস্তার দুই পাশ প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেটা আর বাস্তবায়ন করা হয়নি। জেলা পুলিশের বেশ কিছু কর্মীসহ পৌরসভা ও একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা যানজট নিরসনে কাজ করছে। পাবনা পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার জিয়াউল ইসলাম পলাশ বলেন, বাজেট না থাকায় যুগোপযোগী ও আধুনিক ড্রেনেজব্যবস্থা করা সম্ভব হচ্ছে না। পৌরসভার মেয়র কামরুল হাসান মিন্টু বলেন, পৌরসভার পক্ষ থেকে উচ্চ পর্যায়ে বাজেট চাওয়া হয়েছে। কাঙ্ক্ষিত বাজেট পেলেই নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।

জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যেই ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।