সিলেটে ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়ন নিয়ে নানা জটিলতা

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০২০, ২২:০৩

শেষ তারিখ ২৩ আগস্ট

হুমায়ূন রশিদ চৌধূরী, সিলেট অফিস

সিলেটে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠছে অসংখ্য বেসরকারি ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার। চিকিত্সার নামে এসব বেসরকারি ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চলছে নৈরাজ্য। দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের এসব বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালের লাইসেন্সও নবায়ন হয়নি। ২৩ আগস্টের মধ্যে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর লাইসেন্স নবায়নের জন্য সরকারি নির্দেশনা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়ন নিয়ে রয়েছে জটিলতা।

সিলেট প্রাইভেট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি ডা. নাসিম আহমদ বলেন, আগামী ২৩ আগস্ট সরকারের বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর লাইসেন্স নবায়নে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে অধিদপ্তরের কালক্ষেপণের কারণে নবায়ন নিয়ে তারা বেকায়দায় পড়েছেন। তিনি বলেন, নিয়ম অনুসারে লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়ন এতোদিন স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অটোমেশন পদ্ধতিতে সবকিছু কম্পিউটারাইজ করার পর আর কোনো নবায়ন করেনি। এ কারণে দীর্ঘ তিন বছর ধরে তারা নবায়নের অপেক্ষায় আছেন।  এমনকি ২০২১ সাল পর্যন্ত নবায়নের সরকারি ফিও জমা দেওয়া আছে।

অন্যদিকে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ভুয়া চিকিত্সকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বেশ কিছুদিন আগেই জেলা প্রশাসনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন ও বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ে বৈধ ও অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিকের তালিকা চাওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় দুই মাস পেরিয়ে গেলেও অনেকেই কাগজপত্র দাখিল করেননি।

জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বৈধ ও অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিকের তালিকা চাওয়া হয়েছে।  অবৈধদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের অফিস সূত্র জানায়, সিলেটে ৫৪টি বেসরকারি ক্লিনিক ও ৫৬টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করেছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।