স্পোর্টস ডেস্ক
ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ইউরোপার ফাইনালে শুরুতে পিছিয়েই পড়েছিল সেভিয়া। তবে যে দলটা প্রতিযোগিতার সফলতম দল, তাদের স্বভাবে কি হাল ছেড়ে দেওয়া সাজে? আন্দালুসিয়ান দলটি হাল ছাড়েনি, রোমাঞ্চকর এক ম্যাচ শেষে ৩-২ ব্যবধানের জয় নিয়ে ঘরে তুলেছে নিজেদের ষষ্ঠ শিরোপাটি।
আফসোসটা সবচেয়ে বেশি হবার কথা রোমেলু লুকাকুর। ইন্টারের হয়ে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড থেকে এক গোল পিছিয়ে ম্যাচ শুরু করা বেলজিয়ান স্ট্রাইকার পেনাল্টি থেকে দলকে এগিয়ে দেন তৃতীয় মিনিটেই। এরপর ১২ আর ৩৩ মিনিটে লুক ডি ইয়ংয়ের জোড়া গোলে পিছিয়ে পড়া ইন্টার সমতা ফেরায় ৩৫ মিনিটে ডিয়েগো গোডিনের লক্ষ্যভেদে।
ম্যাচের শুরুতে গোল করে লুকাকু মৌসুমে ৩৪তম গোলটি নিয়ে ভাগ বসান রোনালদোর ১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে করা রেকর্ডটিতে। আরেকটা গোল হলেই এককভাবে নিজের করে ফেলতেন রেকর্ডটা।
ম্যাচের শেষদিকে লুকাকু সেটা করলেন, তবে সেটা হলো আত্মঘাতী গোল। সেটপিস থেকে সেভিয়ার দিয়েগো কার্লোসের দুর্দান্ত এক বাইসাইকেল শট তার পা ছুঁয়েই জড়ায় ইন্টারের জালে, শেষমেশ সেটাই গড়ে দেয় ব্যবধান। শটটা লক্ষ্যে ছিল বলে আত্মঘাতী গোলের অপবাদ থেকে রেহাই মিলেছে বেলজিয়ান স্ট্রাইকারের। তবে জয়টা রয়ে গেছে অধরাই। কোচ কন্তে একে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলেই আখ্যা দিলেন। বললেন, ‘ম্যাচটা সাম্যাবস্থায় ছিল, বেশ কঠিনও ছিল। তারপরই তো রোমেলুর দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাটা ঘটল। এরপর থেকেই আরো কঠিন হয়ে পড়েছিল খেলাটা, সেটা অবশ্য হবারই কথা।’ এদিকে এই দুর্ভাগ্যজনক মুহূর্তটাই আবার সেভিয়া কোচ হুলেন লোপেতেগিকে এনে দিল কোচিং ক্যারিয়ারের প্রথম শিরোপা। এর আগে স্পেন ও রিয়াল মাদ্রিদ থেকে বরখাস্ত হওয়া কোচের প্রতিক্রিয়া, ‘এটা বিশেষ কিছু। আমাদের জন্যে, খেলোয়াড়, ভক্তদের জন্যেও। কাপ জেতাটা সবসময়ই বিশেষ কিছু।’
