ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদককে দল থেকে বহিষ্কার

আপডেট : ২২ আগস্ট ২০২০, ২২:৫১

ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহমুদ শামীম ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। গতকাল শনিবার কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্য স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ কথা জানানো হয়। এদিকে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দায়ের করা মানি লন্ডারিং মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহমুদ শামীমের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সিআইডির দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করছেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার উত্তম কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, মানি লন্ডারিং মামলায় নিশান মাহমুদ শামীমের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে শনিবার দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে সোপর্দ করে সিআইডি। আদালত শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ছাত্রলীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকায় নিশান মাহমুদ শামীম (সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ফরিদপুর শাখা) ও মো. সাইফুল ইসলাম জীবনকে (সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ফরিদপুর শাখা) ছাত্রলীগ থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হলো।’

গত ১৬ মে রাতে ফরিদপুর শহরের মোল্লা বাড়ি সড়কে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহার বাড়িতে দুই দফা হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সুবল সাহা ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন। গত ৭ জুন পুলিশের বিশেষ অভিযানে ঐ মামলার আসামি হিসেবে শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

পরে গত ২৬ জুন ঢাকার কাফরুল থানায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক এস এম মিরাজ আল মাহমুদ ২ হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ এনে সাজ্জাদ ও ইমতিয়াজের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ঐ মামলায় গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার উত্তরা এলাকার ১২ নম্বর সেক্টর থেকে নিশান মাহমুদ শামীমকে গ্রেফতার করা হয়।

এছাড়া ফরিদপুর পুলিশ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির বাড়িতে হামলার মামলার আসামি হিসেবে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। সাইফুল বর্তমানে পলাতক রয়েছে।