গতকাল শনিবার জেলা শহরের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স হিসেবে ব্যবহূত মোট আটটি লোহার সিন্দুক খুলে গণনা করে পাওয়া গেছে মোট ১ কোটি ৭৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭১ টাকা। সাধারণত তিন/চার মাস পর পর লোহার সিন্দুকগুলো খোলা হয়ে থাকলেও এবার করোনা মহামারির জন্য ৬ মাস ৭ দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছে। এই করোনাকালেও দানবাক্সগুলোতে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ছাড়াও পাওয়া গেছে প্রায় ১ কেজি পরিমাণ স্বর্ণ ও রূপার অলংকার। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিল ১ কোটি ৫০ লাখ ১৮ হাজার ৪৯৮ টাকা। পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা মো. শওকতউদ্দিন ভুঁইয়া জানান, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল সোয়া ৪টা পর্যন্ত টাকা গণনার কাজ চলে। জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী পাগলা মসজিদে এসে টাকা গণনার কাজ পরিদর্শন করেন। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ পারভেজ প্রমুখের সার্বিক তত্ত্বাবধানে টাকা বাছাই ও গণনার কাজ শুরু হয়। পরে প্রাপ্ত টাকা রূপালী ব্যাংকে পাগলা মসজিদের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয়।
