জামালপুরের মেলান্দহ হাসপাতালের গাইনি ডাক্তার সুলতানা পারভীন আত্মহত্যা করেনি, তাকে হত্যা করা হয়েছে।- এমন দাবি করেছেন মৃত ডাক্তারের স্বজনরা। স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব নিলুফার নাজনীন শনিবার দুপুরে মেলান্দহ হাসপাতাল পরিদর্শনে আসলে তার কাছে ডাক্তার পারভীনের মৃত্যুরহস্য উদঘাটনের দাবি জানান তারা।
ডাক্তার সুলতানা পারভীনের পিতা আলাউদ্দিন আজাদ জোর দিয়ে বলেন, তার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা। লাশের চোখ-মুখ রক্তমাখা ছিল ও দেহে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার মৃত্যুর ঘটনার সাথে সুলতানা পারভীনের পূর্বের স্বামী সাব্বির এবং তার মামা মকবুল হোসেন মুর্শেদের হাত থাকতে পারে। সুলতানা পারভীন তার মোবাইলে প্রাণ নাশের অনেক হুমকি-এসএমএস পাওয়ার কথা বাবা-মাকে জানিয়েছিলেন। মোবাইলের কললিস্ট ধরে অনুসন্ধান করলেই অনেক তথ্য পাওয়া যাবে। আলাউদ্দিন আজাদ তাঁর মেয়ে হত্যার বিচারের দাবিতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন।
যুগ্মসচিব নিলুফার নাজনীন তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সর্বোচ্চ সহায়তার আশ্বাস দেন। এ সময় তিনি ডাক্তার সুলতানা পারভীনের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ডাক্তার সুলতানা পারভীনের পিতা, বোন ও ভগ্নিপতি জামালপুর প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনেও পারভীনকে হত্যার অভিযোগ তোলেন।
গত ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় মেলান্দহ হাসপাতালের কোয়ার্টার থেকে গাইনি ডাক্তার সুলতানা পারভীনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
