সম্ভাব্য প্রার্থীদের তত্পরতা শুরু

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২০, ২১:১৪

জকিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন

জকিগঞ্জ (সিলেট) সংবাদদাতা

সিলেটের জকিগঞ্জ পৌরসভা পরিষদের মেয়াদ শেষ হবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে। নির্বাচন কমিশন থেকে যেসব পৌরসভার মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ জানতে চাওয়া হয়েছে এর মধ্যে একটি জকিগঞ্জ। স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা হচ্ছে, আগামী অক্টোবরে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং ডিসেম্বরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এই পরিপ্রেক্ষিতেই পৌরসভা নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নড়েচড়ে উঠছেন। শুরু করেছেন তত্পরতা। সরকারি দল আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে যারা আলোচনায় আছেন তারা হলেন, বর্তমান মেয়র উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. খলিল উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমদ, প্রয়াত মেয়র আনোয়ার হোসেন সুনা উল্লাহর পুত্র উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল আহাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পৌর যুবলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমেরিকা প্রবাসী অ্যাডভোকেট এমাদ উদ্দিন। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা হচ্ছেন, পৌরসভা বিএনপির সাবেক সভাপতি বদরুল হক বাদল, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন হিরা। জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক মেয়র আব্দুল মালেক ফারুক।

জকিগঞ্জ পৌরসভা চতুর্থ মেয়র নির্বাচন ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প ার্থী বর্তমান মেয়র হাজি মো. খলিল উদ্দিন ১৫৩০ ভোট,  তার নিকটতম আল ইসলাহ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী হিফজুর রহমান ১৩৭১ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফারুক আহমদ ১৩৪৩ ভোট, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী জাফরুল ইসলাম ১২৫৩ ভোট,  জাপার আব্দুল মালেক ফারুক ১২৪৮ ভোট, বিএনপির বদরুল হক বাদল ১২০৩ ভোট পেয়েছিলেন।

সিলেটের জকিগঞ্জ বাংলাদেশের জেলাগুলোর মধ্যে জেলা সদর থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী উপজেলা। জেলা সদর থেকে এ উপজেলার দূরত্ব প্রায় ৯১ কিলোমিটার। সীমান্তবর্তী এ উপজেলা সদরকে ১৯৯৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর পৌরসভায় উন্নীত করা হয়। প্রথম পৌর নির্বাচন হয় ২০০৬ সালের ১৩ মার্চ। নয়টি ওয়ার্ডের এ পৌরসভায় লোকসংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। এর মধ্যে মোট পরিবারের সংখ্যা ২ হাজার ৮৪৫টি। ৭ দশমিক ২৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ পৌরসভায় বর্তমান ভোটার প্রায় সাড়ে ১২ হাজার। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীরা করোনায় লকডাউনের সময় বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছানো, জানাজাসহ নানা সামাজিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে জানান দিচ্ছেন নিজেদের প্রার্থিতার কথা।