গণমাধ্যমের কল্যাণে সাহেদ- সাবরিনার বিষয়ে জানতে পেরেছি :হাইকোর্ট

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২০, ০০:১০

হাইকোর্ট বলেছে, গণমাধ্যমের কল্যাণেই আমরা রিজেন্টের সাহেদ ও জেকেজির ডা. সাবরিনার বিষয়ে জানতে পেরেছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী র্যাব রিজেন্টে অভিযান চালিয়ে করোনা টেস্টের নামে ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার জন্যই তাদের গ্রেফতার করেছে। বিচারপতি তারিক-উল হাকিম ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টে ভার্চুয়াল ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রবিবার এ মন্তব্য করেন।

বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা থেকে বিরত থাকা সংক্রান্ত স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়েরকৃত রিটের শুনানি গতকাল শুরু হয়েছে এ বেঞ্চে। শুনানিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাসগুপ্ত বলেন, বেসরকারি হাসপাতালের অনিয়ম বন্ধে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেজন্যই এই অভিযান। সরকার আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে অভিযান চালিয়েছে। এখন সেটা করবে টাস্কফোর্স।

রিটকারী পক্ষের আইনজীবী ইয়াদিয়া জামান বলেন, টাস্কফোর্সের অনুমতি নিয়ে অভিযান পরিচালনা করলে অনেক সময় মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, অভিযান চালানোর আগেই খবর পেয়ে যায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এতে তারা সতর্ক হয়ে পড়বে। শুনানি শেষে মঙ্গলবার আদেশের জন্য দিন ধার্য রেখেছে হাইকোর্ট। ঐদিন পরবর্তী শুনানি নিয়ে আদেশ দেবে আদালত।

গত ৪ আগস্ট স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো একটি চিঠিতে বলা হয়, করোনা মহামারি প্রাদুর্ভাবের পরে দেশের বেসরকারি হাসপাতালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন শাখার সদস্যগণ নানা বিষয়ে অভিযান পরিচালনা করছেন। একটি হাসপাতালে একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করাতে হাসপাতালগুলোর স্বাভাবিক চিকিত্সা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং এ কারণে স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানসমূহে এক ধরনের চাপা অসন্তোষ বিরাজ করছে। এরই মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর সার্বিক কার্যক্রম পরিবীক্ষণ করার জন্য একটি টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম।