স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জাহিদ শেখ ২০ বছর ধরে ছিলেন কনডেম সেলে। হাইকোর্টের রায়ে ওই মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল হয়। এরপর কারাগার থেকে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে জেল আপিল দায়ের করেন।
দীর্ঘ ১৩ বছর পর ওই জেল আপিলের শুনানি হলো সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে। দীর্ঘ শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ভার্চুয়াল বেঞ্চ জাহিদ শেখের আপিল মঞ্জুর করেছেন। এর ফলে তিনি মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই পেলেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ। জাহিদ শেখের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত কৌসুলি অ্যাডভোকেট সারওয়ার আহমেদ।
মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে বাগেরহাটে নিজ বাড়িতে জাহিদ শেখের স্ত্রী রহিমা ও তার মেয়ে দেড় বছরের শিশু সন্তান রেশমা খাতুন খুন হন। পরে রহিমার বাবা মো. ময়েন উদ্দিন শেখ বাগেরহাটের ফকিরহাট থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আসামি হিসেবে জাহিদ শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে অসুস্থ হওয়ায় তিনি জামিন পান। জামিন পেয়ে পলাতক হন এই আসামি। ওই মামলায় ২০০০ সালের ২৫ জুন বাগেরহাটের দায়রা জজ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে আত্মসমর্পণ করে রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০০৪ সালের ৩১ জুলাই হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের ফাঁসির রায় বহাল রাখে। পরে ২০০৭ সালে কারাগার থেকে জেল আপিল করেন। ১৩ বছর পর ওই জেল আপিলের শুনানি ও নিষ্পত্তি করল আপিল বিভাগ।
ইত্তেফাক/কেকে

