প্রবাসীকে ‘ক্রসফায়ার’

ওসি প্রদীপসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২০, ২২:১৫

৫ লাখ টাকা আদায় করে দাকিকৃত আরো ৫ লাখ টাকা না দেওয়ায় প্রবাসী মাহামুদুল হককে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ এনে কক্সবাজারের টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে এজাহার দায়ের করা হয়েছে। আদালত এজাহারটি পর্যালোচনা করে ঐ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনায় টেকনাফ থানায় দায়ের করা মামলার বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছে। গতকাল বুধবার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম (টেকনাফ-৩) মো. হেলাল উদ্দিনের আদালত এ আদেশ দেয়। অভিযুক্তদের মধ্যে ওসি প্রদীপসহ ১৬ জন পুলিশের সদস্য, অন্যরা চৌকিদারসহ স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি। মাহামুদুলের ভাই উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার মিয়া হোসেনের ছেলে নুরুল হোছাইন (৪৫) বাদী হয়ে এজাহারটি দায়ের করেন।

মামলায় অভিযুক্ত অন্যরা হলেন : টেকনাফ থানার এসআই দীপক বিশ্বাস, এসআই জামসেদ আহমদ, পরিদর্শক-তদন্ত এ বি এম এস দোহা, এসআই দীপংকর কর্মকার, এএসআই হিল্লোল বড়ুয়া, এএসআই ফরহাদ হোসেন, এএসআই আমির হোসেন, এএসআই সনজিত্ দত্ত, কনস্টেবল রুবেল শর্মা, কনস্টেবল সাগর দেব, ড্রাইভার জহির, কনস্টেবল হূদয়, ব্যাটালিয়ন কনস্টেবল সৈকত, ব্যাটালিয়ন কনস্টেবল প্রসেনজিত্, ব্যাটালিয়ন কনস্টেবল উদয়, হ্নীলা সিকদার পাড়ার মৃত মোস্তফা কামালের ছেলে নুরুল আমিন প্রকাশ নুরুল্লাহ দফাদার, একই এলাকার মৃত আবু শামার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, নাটমুরা পাড়ার নজির আহমদের ছেলে নুরুল হোছাইন, সিকদার পাড়ার আলোর ছেলে ভুট্টো, মৃত তোফায়েল আহমদের ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম ননাইয়া, পূর্ব পানখালীর আবুল হাশেমের ছেলে নুরুল আলম ও মৃত নবী হোসেনের ছেলে নুরুল আমিন।

বাদী নুরুল হোছাইন জানান, ‘আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে কোনো সময় কোনো মামলা ছিল না। পরিকল্পিতভাবে ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে এতদিন মামলা করার সুযোগ ছিল না। এখন সুযোগ হয়েছে তাই মামলা করেছি।’ বাদীর আইনজীবী মো. কাসেম আলী জানান, এজাহারটি পর্যালোচনা করে আদালত আগামী ৭ সেপ্টেম্বর ‘বন্দুকযুদ্ধ’ সংক্রান্ত টেকনাফ থানায় দায়ের করা মামলার বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করতে আদেশ দিয়েছেন।