দ্বীপ ভাড়া দেবে চীন!

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২০, ০০:৩২

চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় লিয়াওনিঙ প্রদেশের শতাধিক দ্বীপ ভাড়া দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার। নানা কারণে এখন পর্যন্ত দ্বীপগুলোতে গড়ে ওঠেনি জনবসতি। সরকার মনে করছে—প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এ দ্বীপগুলোকে ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারলে তা পর্যটন শিল্পের জন্যও সহায়ক হবে।

এসব চিন্তা থেকেই দ্বীপগুলোকে ফেলে না রেখে ভাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দ্বীপ ভাড়া দেওয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব সংগ্রহেরও পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার। লিয়াওনিঙ প্রদেশের অর্থ ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বেশ জোরালোভাবে প্রচারণাও চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশটির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে। চীনের এই প্রদেশটিতে ৬৩৩টি দ্বীপ রয়েছে। যার মধ্যে মাত্র ৪৪টি দ্বীপে জনবসতি গড়ে উঠেছে। ফাঁকা পড়ে থাকা ৫৮৯টি দ্বীপ ভাড়া দিয়ে পর্যটন খাতকে চাঙ্গা করার পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রতিবেশী উত্তর কোরিয়ার থেকে চীনকে পৃথক করা পিত সাগরের তীরের এই দ্বীপগুলোর অপার সম্ভবনা রয়েছে। দ্বীপের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে হেক্টর প্রতি ৫৩৫ ডলার (সাড়ে ৪৫ হাজার টাকা) থেকে শুরু করে ৩০ কোটি পর্যন্ত। মূলত অবকাঠামোগত সুযোগসুবিধার ওপর ভিত্তি করে দ্বীপের ভাড়ার এই বিশাল তারতম্য।

দ্বীপ ভাড়া দিতে সরকারের এমন অভিনব ঘোষণায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অনেকেই বিষয়টিকে নিয়ে হাস্যরস করছেন, কেউ কেউ পরিকল্পনা করছেন বন্ধুবান্ধব মিলেই একটি দ্বীপ কিনে ফেলবেন। যদিও বিষয়টি নিয়ে নিছক মজা না করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে। বলা হয়েছে, কেউ যদি সত্যি সত্যি দ্বীপ কিনতে চায় তাহলে তাকে এর জন্য একটি পরিকল্পনা পাঠাতে হবে, কীভাবে কী হবে, সব কিছুই থাকতে হবে সেই পরিকল্পনা প্রতিবেদনে। এর পরই কেবল সরকার সিদ্ধান্ত নেবে, কে দ্বীপ কিনতে পারবে আর কে পারবে না।—সিএনএন


ইত্তেফাক/এমএএম