আইন হাতে তুলে নেওয়া

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২০, ২১:৪৬

কিছু কিছু জনপ্রতিনিধিকে আইন হাতে তুলে নিতে দেখা যায়। এটা কি গ্রহণযোগ্য ও প্রত্যাশিত? এই ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের মতামত আজ প্রকাশিত হলো

আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া দেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থি ও গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ। এই বিষয়ে জনপ্রতিনিধি, আইনপ্রণেতা, আইন প্রয়োগকারী ও সব নাগরিকের সতর্ক হওয়া খুবই জরুরি। কোনো বিষয়ে কাউকে সন্দেহজনক মনে হলে নিজের হাতে আইন তুলে না নিয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানানো দরকার। জনপ্রতিনিধিরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন, তারা জনগণের সেবক এবং জনগণের প্রতি তাদের একধরনের দায়বদ্ধতা থাকে। কিন্তু ইদানীং জনগণের প্রতি একশ্রেণির জনপ্রতিনিধির দায়বদ্ধতা কমে গেছে। ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধার কিংবা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য অনেকে আইন নিজের হাতে তুলে নেন, যা কোনোক্রমেই কাম্য ও প্রত্যাশিত নয়। তবে আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এবং যদি কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেয়, তাহলে তাকে শাস্তি ভোগ করতেই হবে।

মো. জিল্লুর রহমান

সতিশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা

আমাদের সমাজে একশ্রেণির জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েই ধরাকে সরা জ্ঞান করেন। এভাবেই অনিয়ম ও অনৈতিক পথে হাঁটেন তারা। জনপ্রতিনিধির ব্যক্তিত্ব, মূল্যবোধ, বুদ্ধিভিত্তিক দৃঢ়তা, জবাবদিহিমূলক আচরণ নির্বাসিত হয়ে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সর্বনাশা শৃঙ্খলা সংকটের বিভরে জনপ্রতিনিধিরা অবগাহন করেন। সত্যকে বলি দিয়ে দায়িত্ববোধ থেকে সরে আসেন। জনপ্রতিনিধিদের যে পেশাদারিত্ব আছে, আছে জনসেবার মহান কর্তব্য, সেই নীতি থেকে বিচ্যুতি হয়ে বলদর্পীর দণ্ডমুণ্ডের কর্তা সেজে বসেন। সম্প্রতি চকরিয়ায় মা-মেয়েকে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় নির্যাতন করে এক চেয়ারম্যান একদিকে যেমন আরণ্যক আচরণ প্রদর্শন করেছেন, অন্যদিকে আইন হাতে তুলে গর্হিত অপরাধ করেছেন।

মুরাদ হোসেন

আউচপাড়া, টঙ্গী, গাজীপুর

রক্ষক যেখানে ভক্ষক সেখানে ন্যয়বিচার গুমরে গুমরে কাঁদবে, এটাই স্বাভাবিক। প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা প্রতিদিনই অসংখ্য অত্যাচার নির্যাতন ও নিপীড়নের ঘটনা জানতে পারি, যার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদতদাতা অনেক জনপ্রতিনিধি। দায়িত্বকে পাশ কাটিয়ে তারা সমাজে চালাতে চান ক্ষমতার তাণ্ডব। সম্প্রতি চকরিয়ায় গরু চুরির অভিযোগে মা-মেয়েকে একই রশিতে বেঁধে হাজারো উত্সুক জনতার সামনে ঘোরানো ও দফায় দফায় নির্যাতন মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে, যার মদতদাতা একজন ইউপি চেয়ারম্যান। অনেক জনপ্রতিনিধি নিজেকে ভাবেন সবকিছুর ঊর্ধ্বে, তার কারণ একটাই-জবাবদিহিতার অভাব। তাদের অনেকে আজ জনগণের আস্থার জায়গায় অবস্থান করছেন না, আছেন ভয়ের জায়গায়।

ডা. মর্জিনা আক্তার

বারিধারা পাইল্স কিউর সেন্টার,

গুলশান, ঢাকা

দেশের প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা হবেন মডেল স্বরূপ। কিন্তু তারাই আইন ভঙ্গ করে আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছেন। এই প্রবণতা একান্তই অপ্রত্যাশিত। এটা সুশাসনের জন্য হুমকি স্বরূপ।

আবু ফারুক

বনরূপা পাড়া, সদর, বান্দরবান

আইন সম্পর্কে অজ্ঞ, অপদার্থ ও অসভ্য মানুষ যখন হীন এই কাজটি করে তখন এতটা অবাক হই না। কিন্তু যখন কোনো দায়িত্বশীল ও জনপ্রতিনিধিকে আইন হাতে তুলে নিতে দেখি তখন শুধু অবাকই হই না শোকাহত হই এবং ঘৃণাও বোধ করি। এতে সরকারের ভাবমূর্তিও নষ্ট হয়।

উবাইদুল্লাহ তারানগরী

দুধনই, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ

আইন হাতে তুলে নেওয়ার ব্যাপারটাই আইনবিরোধী। আর সেটা স্বয়ং কোনো জনপ্রতিনিধি করলে সমাজে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। অনানুষ্ঠানিকভাবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার দায়িত্ব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের। অথচ, ব্যক্তিগত সুবিধা আদায় কিংবা অন্য কোনো কারণে তারাই যখন আইন হাতে তুলে নেন, তখন তা আমাদের জন্য শুভকর হয় না। আমরা মনে করি, দায়িত্বশীল পদে থেকে আইন হাতে তুলে নিলে তা শোষণের পর্যায়ে পড়ে।                        

এ এফ এম সালাহ উদ্দীন

বান্দরবান সদর, বান্দরবান পাবর্ত্য জেলা

আইন করা হয়েছে মানুষের কল্যাণে। মানুষ আইনের দ্বারস্থ হবে। জানমাল-ইজ্জত-আবরুর হেফাজতে আইনের আশ্রয় গ্রহণ করবে। আইনের মারপ্যাঁচে কেউ আসহায় হয়ে পড়লে জনপ্রতিনিধিরা ঐ ব্যক্তিকে আইনি সাহায্য পেতে সহযোগিতা করবে। কেউ আইন না মানতে চাইলে তাকে যথানিয়মে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করবে। তা না করে জনপ্রতিনিধিদের আইন হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা ভালো নয়। এটা চরম গর্হিত কাজ।

জিয়াউল হক সরকার

পূবাইল, গাজীপুর

বর্তমানে কিছু জনপ্রতিনিধি আইনকে নিজের সম্পত্তি ভেবে আইনকে হাতে তুলে নিয়ে আইনের অপব্যবহার করে জনগণের সঙ্গে হয়রানিমূলক আচরণ করে। এরকম কাজ কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। এটা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ঘটনা।

ফারজানা বিনতে মুরাদ ঈরা

মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর

যারা মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকে, সত্, শিক্ষিত, সর্বজনশ্রদ্ধেয়, সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনে সক্ষম— তারাই জনপ্রতিনিধি হওয়ার যোগ্য। কিন্তু বর্তমানে দেখা যায় ভিন্নচিত্র। অবৈধভাবে অর্থের মালিক, পেশিশক্তিতে বলীয়ান, অসত্ ব্যক্তিরা নামের মুখোশের আড়ালে আসন দখল করছে। যারা ক্ষমতায় গিয়ে জনসেবার পরিবর্তে দুর্নীতি, অপকর্ম, সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার করে। তাদের নির্যাতনের শিকার হন নারী-শিশু ও দুর্বলরা। দেশের আইনকানুনের প্রতি কোনো রূপ তোয়াক্কা না করে ক্ষমতার জোরে আইন হাতে তুলে নেন। এটা অগ্রহণযোগ্য ও মানবতাবিরোধী কাজ।

মো. সাইমুন

চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম

আমাদের দেশের একশ্রেণির ক্ষমতাবান মানুষ ক্যামেরার সামনেই রেলের পেয়াদার গায়ে হাত তোলেন কিংবা চালকের জামার কলার ধরে টানাটানি করেন। কেউবা আবার টকশো থামিয়ে বক্তার চোখ তুলে নিতে এগিয়ে যান! তবে এসবকিছু দেখে মনে মনে ভাবি, নিশ্চয়ই আমরাও এক দিন বিচার পাব, জানতে পারব জামাল হোসেন কেমন আছেন এবং তিনি মেয়রকে মাফ করেছেন কি না? এক দিন আমরা হয়তো এও জানতে পারব, সাভারে যে দায়িত্ববান ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রহার করা হয়েছিল, তার নির্যাতনেরও প্রতিকার হলো কি না? সেই অপেক্ষাতেই দিন গুনছি...।

বিলকিছ আক্তার

টাঙ্গাইল

সত্যিকারের জনপ্রতিনিধি আইন অমান্য করবে না। গায়ের জোরে যারা জনপ্রতিনিধি, তারাই আইন নিজ হাতে তুলে নেয়। তারা মনে করে ‘আমার কিছু হবে না।’

সালেহা আফরিন বেবী

শিবগঞ্জ, সিলেট

গণপ্রতিনিধিরা যখন স্বৈরাচারী মনোভাবাপূর্ণ হয়, তখনই তারা বেআইনি কাজে লিপ্ত হয় এবং তারা আইনকে নিজের হাতে তুলে নেয়। এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। যাতে এসব লোকের শাস্তির কথা চিন্তা করে ভবিষ্যতে কেউ নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়ার দুঃসাহস দেখাতে না পারে।

মাখরাজ খান,

সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

কিছু কিছু জনপ্রতিনিধিকে আইন হাতে তুলে নিতে দেখা যায়; কিন্তু এটা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। দেশে আইন রয়েছে, বিচার বিভাগ রয়েছে, সঙ্গে শাসন বিভাগও। সুতরাং এগুলোকে উপেক্ষা করে আইন হাতে তুলে নেওয়া সম্পূর্ণভাবে অবৈধ। এ বিষয়ে সবাইকেই সচেতন হতে হবে।

মেজবাহ উদ্দিন সেলিম

ইব্রাহিমপুর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা

কিছু কিছু জনপ্রতিনিধিকে দেখা যায় আইন নিজের হাতে তুলে নিতে। এভাবে আইনকে অবজ্ঞা করে কোনো কাজ করা ঠিক নয়। বরং আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সঠিকভাবে আইনকে ব্যবহার করা দরকার। সাধারণ মানুষও যে অনেকসময় আইন হাতে তুলে নিয়ে গণপিটুনি দেন, তাও কাম্য নয়। এতে অনেক সময় নীরিহ মানুষ বলির পাঁঠা হয়।

মো. হানিফ মিয়া

মনেশ্বর লেন, হাজারীবাগ, ঢাকা

আমাদের দেশে অহরহ আইন হাতে তুলে নিয়ে আইনের অপপ্রয়োগ করার মধ্য দিয়ে সমাজ ও দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়। এমন অন্যায়-অত্যাচার-জুলুম-নির্যাতন করা আইনবহির্ভূত। শুধু সাধারণ মানুষ আইন হাতে তুলে নেয় না, অন্যায়ভাবে রাষ্ট্রীয় যন্ত্র ব্যবহার করে প্রশাসনের কর্তারাও আইন হাতে তুলে নেয়—যা কারোরই কাম্য নয়। এতে রাষ্ট্রের বিপদ ঘটে। আইনের প্রতি আমাদের সবার শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত এবং আইন মেনেও চলা উচিত।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী

আমরা অনেক কিছুতেই আইন মানতে নারাজ এবং এটা মনে হয় আমাদের সংস্কৃতির অংশে পরিণত হয়েছে। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আমাদের সমাজে বহু অনৈতিক, অসামাজিক কর্মকাণ্ড ঘটে থাকে। তাই আইনকে শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখতে হবে, নিতে হবে এবং সঠিকভাবে পালন করতে হবে। তাহলেই দেশ, রাষ্ট্র, সমাজ, পরিবারসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে সুশৃঙ্খলতা ফিরে আসবে।

আল মায়ামী

ফুলবাড়িয়া, সাভার

আমাদের দেশে যারা জনপ্রতিনিধিত্ব করেন তারা অনেকেই নিজেদেরকে অনেক কিছু ভাবেন। যার ফলে নিয়মনীতি ইত্যাদি বিষয়সমূহ এলোমেলো হয়ে ওঠে। তাই এ বিষয়টির প্রতি সবার সংবেদনশীল হওয়া একান্ত কর্তব্য।

রাসেল আহমেদ

বাসাবো, ঢাকা

সম্প্রতি কক্সবাজারের চকরিয়ায় গরু চুরির অপরাধে বয়স্ক মা ও তরুণী দুই মেয়েকে মোটা রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। চেয়ারম্যানও তাদের প্রহার করেছে— বিষয়টি অত্যন্ত হূদয়বিদারক ঘটনা বটে। আমাদের সভ্য সমাজে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও নীতি-নৈতিকতার অবনতির প্রমাণ। তাই এ ব্যাপারে আমাদের সবাইকে আইনের প্রতি যত্নবান ও শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

শিশির

পিলখানা, ঢাকা

শুধু গরু চুরির ব্যাপারে কেন? যে কোনো কাজে আমাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া একান্ত কর্তব্য। তা-না হলে দেশে এমন ঘটনা একটার পর একটা ঘটতেই থাকবে।

আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (হিফজু)

চিনাইয়র ডাটশালা, সদর, বি.বাড়িয়া

কক্সবাজারের চকুরিয়ায় গরু চুরির অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান ও তার সাঙ্গোপাঙ্গ ৩৪ জন মিলে বয়স্ক মা ও দুই মেয়েকে রশি দিয়ে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় যে নির্যাতন করেছে তা এই স্বাধীন বাংলায় একটা নজিরবিহীন ঘটনা। অভাবে স্বভাব নষ্ট। চেয়ারম্যান হলো চকুরিয়ার অভিভাবক। তার উচিত ছিল ঐ এলাকায় চিকিত্সা, অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখা।

ডা. মো. জামিল আহমেদ

গোপালপুর, টাঙ্গাইল

জনপ্রতিনিধিদের আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া অন্যায়। এর জন্য বিচার বিভাগ আছে, কিন্তু জনপ্রতিনিধিরা কেন নিজের হাতে আইন তুলে নেবে? এর প্রতিকার হওয়া দরকার।

তানভির দিবা

লেকসিটি কনকর্ড, খিলক্ষেত, ঢাকা

রাজনৈতিক প্রভাব, পেশিশক্তি, ক্ষমতা ও অর্থের অপব্যবহার করে কতিপয় জনপ্রতিনিধি ত্রাস সৃষ্টির জন্য নিজ এলাকায় একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করে। ঐ জনপ্রতিনিধি এবং তার গুন্ডাবাহিনী মিলে গুম, খুন, ধর্ষণ বা গণধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ভূমিদখল, ডাকাতি, সরকারি মালামাল আত্মসাত্ এবং রিলিফের ডাল, চাল, তৈল, টিন ও নগদ অর্থ নানা কায়দা ফিকির করে লুটেপুটে খায়। প্রশাসনের কিছু দুর্নীতিবাজ ও অসত্ কর্মকর্তাকে উেকাচের বিনিময়ে ম্যানেজ করে নিজের কবজায় এনে এ সব অপকর্ম করে আইনের চোখকে ফাঁকি দেয়। এটা কখনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আইনের সুষ্ঠু ও সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না বলেই দুর্নীতিবাজ জনপ্রতিনিধিরা এ ধরনের কাজ করতে সাহস পায়।

মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ

সরদারপাড়া, মুন্সীগঞ্জ