ওসি প্রদীপসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আরো একটি হত্যার অভিযোগ দায়ের

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২০, ২২:১২

টেকনাফ মডেল থানার সাবেক ওসি বরখাস্ত হওয়া প্রদীপ কুমার দাশসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ এনে আরো একটি ফৌজদারি দরখাস্ত দায়ের করা হয়েছে। কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৩-এর (টেকনাফ) বিজ্ঞ বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন অভিযোগটি আমলে নিয়ে ঘটনার বিষয়ে আগে টেকনাফ থানায় কোনো মামলা হয়েছে কি না, আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আদালতে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে ওসিকে আদেশ দিয়েছেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী আবদুল বারী এ তথ্য জানিয়েছেন।

টেকনাফের হোয়াইক্ষ্যং ইউনিয়নের পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়ার মৃত আবদুল জলিল প্রকাশ পুতুইক্যার স্ত্রী ছেনুয়ারা বেগম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট এ ফৌজদারি দরখাস্তটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৯ সালের ৩ ডিসেম্বর তার (বাদীর) স্বামী আবদুল জলিলকে কক্সবাজার শহরের আদালত পাড়া থেকে আটক করেন ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর মানস বডুয়া। পরে হোয়াইক্ষ্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মশিউর এর মাধ্যমে তাকে টেকনাফ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ক্রসফায়ার থেকে বাঁচাতে ওসি প্রদীপ গ্রেফতারকৃত আবদুল জলিলের স্ত্রী ছেনুয়ারা বেগম এর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে ছেনুয়ারা বেগম স্বামীকে বাঁচাতে প্রদীপকে ৫ লাখ টাকা দেন। এরপর দীর্ঘ আট মাস অতিবাহিত হয়। পরে চলতি বছরের ৭ জুলাই জলিল ক্রসফায়ারে নিহত হন।

এদিকে, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদের আলোচিত হত্যা মামলায় রিমান্ডে থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ও বুধবার পৃথক সময়ে এ তিন জন জবানবন্দি দেন। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে তদন্ত সংস্থার সদস্যরা এপিবিএনএর এএসআই শাহজাহান ও কনস্টেবল রাজীবকে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে হাজির করা হয়। বেলা ২টা হতে তাদের স্বীকারোক্তি নেওয়া শুরু হয়ে শেষ হয় সন্ধ্যার পর। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় এপিবিএনের অপর সদস্য কনস্টেবল মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ এর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। স্বীকারোক্তি নেওয়া শেষে তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।