ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন—পিপিপি নয়, ব্যক্তিমালিকদের হাতেই তুলে দেওয়া হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোকে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার যা করতে পারেনি, এই আমলে সেটাই হতে চলেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর প্রায় পঞ্চাশ হাজার শ্রমিক এখন কর্মহীন। গোল্ডেন হ্যান্ডসেকের টাকা তারা কবে পাবে? কত পাবে জানে না। তাছাড়া করোনা ভাইরাসকালে ঐ টাকা দিয়ে নতুন কোনো কর্মোদ্যোগও সৃষ্টি করা যাবে না। বন্ধ করে দেওয়া পাটকলগুলোকে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতে রেখেই আধুনিকায়ন করতে হবে। তাহলেই সোনালী আঁশ সোনা ফলাবে, গলার ফাঁস হবে না। গতকাল শুক্রবার পার্টির বরিশাল জেলা কমিটির সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মেনন বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ করে দিয়ে কেবল পাটশিল্প বা শিল্প শ্রমিকই নয়, পাটচাষ ও পাটচাষিদের ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। অথচ পাটই একশভাগ মূল্য সংযোজনকারী পণ্য এবং পরিবেশ দূষণের সময়ে সবচেয়ে বেশি পরিবেশবান্ধব। পাটশিল্প রক্ষায় পাটচাষি, শ্রমিক, ব্যবসায়ীসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অধ্যাপক নজরুল হক নীলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পাটশিল্প রক্ষা, স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা বন্ধ, করোনারোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ ১৩ দফা দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত ২ সেপ্টেম্বর দাবি দিবস পালনের কর্মসূচি গৃহীত হয়। ঐ দিন বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে অশ্বিনীকুমার হল চত্বরে কর্মসূচি পালিত হবে। সভায় জেলায় করোনাকালীন সময়ের কার্যবিবরণী তুলে ধরেন বরিশাল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. টিপু সুলতান। আলোচনায় অংশ নেন তালুকদার মো. শাহজাহান, মোজাম্মেল হক ফিরোজ, ফারহান বালি, অধ্যাপক গোলাম হোসেন, দিলীপ রাজা প্রমুখ।
