বেলারুশের ২০ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপে সম্মত হয়েছে ইইউ। ভোট জালিয়াতি ও বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে সংস্থাটি। আঞ্চলিক এই ব্লকটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ইইউর সদস্য দেশ চেক রিপাবলিকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী টমাস পেট্রিক বলেন, তালিকাটি কীভাবে হবে কিংবা এতে কারা অন্তর্ভুক্ত হবেন সে সম্পর্কে আমরা সর্বসম্মতভাবে একমত হয়েছি। তিনি বলেন, আপাতদৃষ্টিতে আমরা এ ব্যাপারে একটা ঐকমত্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি। তবে এর চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়নে আমাদের আরো এক সপ্তাহ সময় লেগে যেতে পারে। কেননা সব ধরনের বিষয় যাচাই-বাছাইয়ের পরই এ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে। পেট্রিক বলেন, আলোচনায় উঠে এসেছে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কোর কথা। তার ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা কিংবা সম্পদ জব্দ করা হবে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি মনে করি, তাকে এই তালিকায় আনা উচিত। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, সিদ্ধান্ত এখন নেওয়া হবে নাকি পরবর্তীতে করা হবে।
একই কথা বলেছেন, লিথুনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিয়ানস লিংকেভিসাস। তিনি বলেন, লুকাশেঙ্কোকোর নাম এই তালিকায় আসা উচিত। তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন যে, বেলারুশের নেতাকে দূরে রাখতে কৌশলগত কারণের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। কেননা অনেক দেশ মনে করে এখনই লুকাশেঙ্কোরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ঠিক হবে না। এক্ষেত্রে আস্তে আস্তে পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে তারা। তার আগে দেখতে হবে তিনি বিরোধী দলের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসেন কি না কিংবা বসলেও তা কতটুকু ফলপ্রসূ হবে তাও দেখার বিষয়। এদিকে বেলারুশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজনে সেখানে পুলিশ বাহিনী পাঠানোর কথা বলেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
