লক্ষ্মীপুর জেলার নানামুখী সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ পরিকল্পনা ও উদ্যোগের অভাবে উন্নতির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি। এ অঞ্চলে রয়েছে নারিকেল, সুপারি, সয়াবিন ও বাদামভিত্তিক শিল্প-কারখানা গড়ে তোলার অপার সম্ভাবনা। জাতীয় মাছ ইলিশ সবচেয়ে বেশি আহূত হয় এখানকার বিভিন্ন মত্স্যঘাট ও অবতরণকেন্দ্র থেকে। উন্নয়ন তথা সমৃদ্ধির স্বর্ণশিখরে পৌঁছতে সর্বাগ্রে প্রয়োজন আধুনিক ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। কিন্তু এ অঞ্চলে এখন পর্যন্ত আধুনিক ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। সড়কপথে ঢাকা যেতে ৭০-৮০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ (কুমিল্লা জেলার লাকসাম হয়ে) যেতে হয়। অথচ আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগে ১৯৯৭ সালে গৃহীত লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জ-হাজীগঞ্জ-কচুয়া-গৌরীপুর (দাউদকান্দি) মহাসড়কটি বাস্তবায়িত হলে মাত্র ২-৩ ঘণ্টায় ঢাকা যাওয়া সম্ভব হবে লক্ষ্মীপুরসহ চাঁদপুর ও নোয়াখালী থেকে। এ জেলাকে রেল সংযোগের আওতায় আনা এ অঞ্চলের মানুষের দাবি। চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর-চৌমুহনী (নোয়াখালী)-ফেনী রুটে রেললাইন বাস্তবায়িত হলে লক্ষ্মীপুর মূল রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসা ছাড়াও চাঁদপুর ও নোয়াখালীর সঙ্গে চট্টগ্রামের সহজ রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে।
মো. গিয়াস উদ্দিন হূদয় (বেপারী)
চিলাদি-মুন্সীপাড়া, ছাতারপাইয়া, সেনবাগ, নোয়াখালী ৩৮৬৪
