‘মানব পাচারে ভুক্তভোগীরা মামলা করতে পারবেন নিজ এলাকার থানা বা ট্রাইব্যুনালে’

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২০, ২২:২৮

বরিশাল অফিস

আগে যে কোনো অবৈধ যৌন সম্পর্ক বা পতিতাবৃত্তি হলে জেলায় দণ্ডবিধির ২৯০ ধারায় (গণউপদ্রব) এবং মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিনেন্সে অভিযুক্তদের লঘুদণ্ড হতো। এখন থেকে এই ধরনের অপরাধ সংঘটিত হলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে সরাসরি মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইন-২০১২ এর আওতায় বিচার হবে। এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাত বছর দণ্ডের বিধান রয়েছে। যা জামিন অযোগ্য অপরাধ।

যারা যৌন কর্মী সরবরাহ করবে বা যে স্থানে এই অপরাধ সংঘটিত হবে সেই বাসা, ফ্ল্যাট বা হোটেলের মালিকও এই শাস্তির আওতভুক্ত। পুলিশ বিনা ওয়ারেন্টে এই ধরনের অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পারবে। গতকাল শনিবার সকালে বরিশালে জুম কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত এক পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি সভায় নতুন এই আইন সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করেন বিশেষ অতিথি বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল হোসেন।

বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. কবির উদ্দিন প্রামানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিনিয়র জেল ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম। জুম কনফারেন্সে বিচারক মো. মঞ্জুরুল হোসেন বলেন, অনেক সময় বিদেশে নারীরা শারীরিক ও যৌন শোষণের শিকার হয়। দেশে বা বিদেশে যেখানেই এই ধরনের অপরাধ সংঘটিত হবে সেটা দেশেই সংঘটিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে। অভিযুক্ত আসামি দেশে বা বিদেশে থাকুক বাংলাদেশেই মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইন-২০১২ এর আওতায় তার বিচার হবে।