সখীপুর উপজেলা খাদ্যগুদাম
সখীপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
সখীপুরে অর্জিত হয়নি ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা। খাদ্য বিভাগের দেওয়া টার্গেটের ১ শতাংশ ধানও কিনতে পারেননি উপজেলা খাদ্যগুদামসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। চালও টার্গেটের মাত্র ৪০ শতাংশ সংগ্রহ হয়েছে। তবে ধানের দাম বেশি হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। উপজেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ২ হাজার ৬৮৫ মেট্রিক টন। চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৫০৪ মেট্রিক টন। গত ১৮ মে থেকে ধান ও চাল সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ধান ও চাল সংগ্রহের সময়সীমা ছিল গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। তিন মাসে এখানে ধান সংগ্রহ করা হয়েছে মাত্র প্রায় তিন মেট্রিক টন, যা লক্ষ্যমাত্রার মাত্র শূন্য দশমিক ১১ শতাংশ। সময়সীমা শেষ হলেও লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৫০৪ মেট্রিক টনের স্থলে ৪৫০ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার হিসাবে নগণ্য।
উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক আশরাফুল আলম ফাহিম জানান, ‘হাটবাজারগুলোয় ধান-চালের দাম বেশি হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। তিনি আরো জানান, সখীপুর উপজেলায় কাবিখা, টিআর, জিআর, ভিজিডি, ওএমএস, খাদ্যবান্ধব, রেশনসহ প্রতি মাসে ৬২৫ মেট্রিক টন চাল প্রয়োজন হয়। সে তুলনায় চলতি মৌসুমে এক মাসের প্রয়োজনীয় চালও খাদ্যগুদামে সংগ্রহ হয়নি।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও মনিটরিং (তদারকি) কমিটির সভাপতি আসমাউল হুসনা লিজা বলেন, ধান-চাল সংগ্রহে আরো ১৫ দিন সময় বাড়ানো হয়েছে। এতেও যদি সরকারের সঙ্গে চুক্তি করা মিলাররা বরাদ্দ চাল দিতে ব্যর্থ হন, তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। এসব বিষয় নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এবার উপজেলায় কৃষকেরা বাজারেই ভালো দাম পাওয়ায় সরকারনির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রি করতে আগ্রহ দেখাননি।
